সমাধির কাছে যান বিক্রম, পছন্দ নয় সনিকার পরিবারের

তাঁর কথায় অসঙ্গতি পেয়েছে পুলিশ। তদন্ত এখনও চলছে৷ বিক্রমের গাড়ি পরীক্ষা করে জানা গেছে প্রতি ঘণ্টায় একশ’ কিলোমিটারেরও বেশি গতিবেগে চলছিল নামী কোম্পানির গাড়িটি৷ প্রথমে মদ্যপানের কথা অস্বীকার করলেও পরে পুলিশের কাছে অল্প ড্রিঙ্ক করার কথা স্বীকার করে নেন অভিনেতা৷ অবশ্য তাঁর দাবি ছিল মদ্য পান করলেও মদ্যপ ছিলেন না তিনি ৷

একের পর এক ঘটনাস্রোত বয়ে গেছে৷ এখনও মানুষের মনে টাটকা সড়ক দুর্ঘটনায় মডেল সনিকা সিং চৌহানের মৃত্যুর স্মৃতি৷ জল্পনা-কল্পনা, বিচার-বিশ্লেষণ, অনেক কিছুই হয়েছে৷ কিন্তু আসলে কী ঘটেছিল সেদিন তা বোধহয় অভিনেতা বিক্রম চট্টোপাধ্যায়ের থেকে বেশি কেউ জানেন না৷ কারণ সেই একটা রাতই রাতারাতি বদলে দিয়েছে তাঁর জীবন।

এই বদলে যাওয়া জীবনেও সনিকার স্মৃতিই বোধহয় তাঁকে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে৷ ইদানিং অভিনেতাকে নাকি প্রায়ই দেখা যাচ্ছে লোয়ার সার্কুলার রোডের সমাধি ক্ষেত্রে৷ সেখানেই সমাধিস্থ করা হয়েছে সনিকাকে৷ শোনা যাচ্ছে, সনিকার সমাধির পাশে নাকি ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকছেন বিক্রম৷ গত বুধবার ছিল বিক্রমের জন্মদিন৷

সেদিনও বিক্রম গিয়েছিলেন সমাধি ক্ষেত্রে৷ হাতে নাকি তাঁর ছিল লাল গোলাপ ফুল৷বিক্রমের বারবার সনিকার সমাধি দর্শনে আসা মোটেও পছন্দ নন সনিকার পরিবারের৷ তাঁদের অভিযোগ, এ অভিনেতার কুমিরের কান্না৷ সনিকার এক আত্মীয় প্রশ্ন তুলেছেন, এতই যখন অনুশোচনা হয়েছিল৷

তাহলে দুর্ঘটনার পর থেকে একবারও সনিকার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি কেন বিক্রম? সমাধিক্ষেত্রে বসে না থেকে কেন সনিকার বাবা-মায়ের সঙ্গে গিয়ে দেখা করছেন না তিনি? কেন ওই রাতের সমস্ত সত্যি কথা স্বীকার করছেন না?

বিক্রমের সনিকার সমাধির কাছে যাওয়া নিয়ে আপত্তি তুলেছে তাঁর পরিবার৷ এ নিয়ে ক্রিশ্চান বারিয়াল বোর্ডের কাছে অভিযোগও জানিয়েছেন তাঁরা৷ সমাধি ক্ষেত্রে বিক্রমের প্রবেশ নিষিদ্ধ করার দাবি জানানো হয়েছে সনিকার পরিবারের পক্ষ থেকে৷ তবে বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে, এমন প্রকাশ্য স্থানে কারও প্রবেশের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা যায় না। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন