[X]

হট ফেবারিট ভারতকে পাকিস্তান যেভাবে বিধ্বস্ত করল সেটি ছিল বিস্ময়কর

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে ভারতকে এভাবে উড়িয়ে দেবে পাকিস্তান সেটি খোদ সরফরাজ আহমেদও ম্যাচ শুরুর আগে কল্পনা করেননি।  রোববারের ফাইনালে টিম ইন্ডিয়াকে দাঁড়াতেই দেয়নি পাকিস্তান।  ১৮০ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির শিরোপা জয় করে টিম পাকিস্তান।

আইসিসির ইভেন্টের কোনো ফাইনালে এটাই সবচেয়ে বড় পরাজয়, জয়ের রেকর্ড।  শহিদ আফ্রিদি এই জয়কে বিস্ময়কর বলে আখ্যায়িত করেছেন।  এই জয় পাকিস্তানের সমর্থকরা দীর্ঘদিন মনে রাখবে বলে আইসিসির ওয়েবসাইটে খেলা এক কলামে দাবি করেন দেশটির সাবেক অধিনায়ক।

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে ভারতের কাছে ১২৪ রানের বড় ব্যবধানে হেরে টুর্নামেন্ট শুরু করেছিল পাকিস্তান।  এরপরই দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়ায় সরফরাজ-আমিরের দল।  টানা তিন ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা এবং ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নেয় পাকিস্তান।  এরপর রূপকথার জন্ম দিয়ে শিরোপা ঘরে তোলে দলটি।

আইসিসির ওয়েবসাইটে লেখা এক বিশেষ কলামে আফ্রিদি বলেছেন, ‘এটি এমন এক জয় যেটি দীর্ঘদিন মনে রাখবে।  পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের নিয়ে খুব একটা আশা ছিল না।  অথচ সেই তারাই কী দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে অসাধারণভাবে শিরোপা জিতে নিল।  এটি এককথায় অসাধারণ। ‘

সরফরাজ আহমেদের দলের এমন বিস্ময়কর উত্থানে উচ্ছ্বসিত আফ্রিদি লেখেন, ‘এর আগে কখনোই শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে পাকিস্তানকে এমন দুর্দান্ত পারফরম্যান্স উপহার দিতে দেখিনি।  হট ফেবারিট ভারতকে যেভাবে বিধ্বস্ত করল সেটি ছিল বিস্ময়কর।  এই পাকিস্তান দল আমাকে এবং গোটা দেশকে গর্বিত করেছে।  সরফরাজ আহমেদের দলের এমন অসাধারণ পারফরম্যান্সে আমি উচ্ছ্বসিত, আনন্দিত, উদ্বেলিত। ‘

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি দিয়েই ফখর জামান, হাসান আলি ও শাদাব খানের মতো তারকা খেলোয়াড় পেয়েছে পাকিস্তান।  এটিই বেশি আনন্দিত করেছে আফ্রিদিকে, ‘১৪ দিনের টুর্নামেন্টে পাকিস্তান বেশ কযেকজন নতুন হিরোকে পেয়েছে।  ফখর জামান থেকে শুরু করে হাসান আলি এবং শাদাব খান- পাকিস্তান ক্রিকেটবিশ্বকে তার প্রতিভা ও মেধা দেখিয়েছে।  সরফরাজ নিজেকে এমন এক অধিনায়ক হিসেবে প্রমাণিত করেছে যার হাত ধরে পাকিস্তান অনেক দূর এগিয়ে যাবে।