শুষ্ক ও রুক্ষ চুলের যত্নে!

যাদের চুল শুষ্ক তাদের খুশকির সমস্যাটা একটু বেশি ই তাড়িয়ে বেড়ায়। এছাড়া বিভিন্ন ধরণের এলার্জিজনিত সমস্যা হবার পাশাপাশি চুল পড়া, ভেঙ্গে পড়া, চুল পেকে যাওয়া ইত্যাদি সকল সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। সাধারণত ত্বক শুষ্ক হলে তাঁদের চুলেও নিষ্প্রাণ ভাব দেখা যায়। তবে নিয়মিত যত্নে এ সমস্যা অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা যায়। আসুন জেনে নেয়া যাক শুষ্ক চুলের যত্ন করবেন কিভাবে!

১. অলিভ অয়েল: অলিভ অয়েলে রয়েছে ভিটামিন ই যা চুলের বিবর্ণ ভাব দূর করে। অলিভ অয়েল সামান্য গরম করে চুলের গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত ম্যাসাজ করুন। একটি গরম তোয়ালে মাথায় জড়িয়ে রাখুন। আধা ঘণ্টা পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন চুল। দূর হবে চুলের রুক্ষতা।

২. ডিম, কলা ও মধু: কলা চুলের জন্য একটা অসাধারণ ময়েশ্চারাইজার। আপনাকে যা করতে হবে তা হল একটি কলা ভালোভাবে চটকে তার সাথে একটা ডিম ফেটে আর খানিকটা অলিভ অয়েল মিশিয়ে সবটা একসাথে মিশাতে হবে। ৩০ মিনিট এটি আপনার চুলে লাগিয়ে ধুয়ে ফেলে শ্যাম্পু করে নিন।

৩. ক্যাস্টর অয়েল: প্রতি সপ্তাহে একদিন চুলে ক্যাস্টর অয়েল ম্যাসাজ করুন। এতে থাকা ওমেগা ফ্যাটি অ্যাসিড চুলে ফিরিয়ে আনবে ঝলমলে ভাব।

৪. ডিম, দই ও অলিভ অয়েল: ডিম ও দই এই দুই উপাদানই প্রচুর প্রোটিনে ভরপুর যা চুলের রুক্ষতা ঝেড়ে ফেলে চুলে নতুন চমক আনে। একটা ডিমের পুরোটা, এক টেবিল চামচ দই ও ২ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল নিয়ে একসাথে ভালোভাবে মিশান।

যখন এই দুই উপাদান সুন্দর ভাবে মিশে যাবে তখন এটি আপনার চুলে প্রয়োগের উপযোগী হয়ে উঠবে। এটি আপনার চুলের গোড়া ও মাথার ত্বকসহ ভালোভাবে লাগিয়ে ৩০ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন ও শ্যাম্পু করে ফেলুন।

৫. নারিকেলের দুধ: নারিকেলের দুধ চুলে ম্যাসাজ করুন। কিছুক্ষণ পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন চুল।