কমলা দিয়ে রূপচর্চা

শুধু খোসা নয়, কমলার শাঁস ও রস ব্রণ ও বলিরেখা দূর করার পাশাপাশি বলিরেখা কমাতেও সাহায্য করে।

এক সময় মা-খালারা কমলার খোসা শুকিয়ে, সেটা দিয়ে রূপচর্চা করতেন। এখন আর কষ্ট করে কমলার খোসা জমাতে হয় না। বিভিন্ন প্রসাধনীতেই থাকে কমলার উপকরণ। তবে প্রকৃতির স্বাভাবিক উপাদান সরাসরিই ব্যবহার করলে মিলবে প্রকৃত ফল।

কমলা দিয়ে নানানভাবেই রূপচর্চা করা যায়। শুধু জানতে হবে সঠিক নিয়ম। রূপচর্চাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে প্রচলিত পদ্ধতিতে কমলা দিয়ে রূপচর্চার কয়েকটি কৌশল এখানে দেওয়া হল।

ব্রণ কমাতে কমলার খোসা: কমলার খোসা ছাড়িয়ে তা রোদে দুএকদিন শুকিয়ে নিন। খোসাগুলো শুকিয়ে গেলে তার সঙ্গে ওটমিলের গুঁড়া ও মধু মিশিয়ে রেফ্রিজারেইটরে সংরক্ষণ করুন। এভাবে এক সপ্তাহ সংরক্ষণ করতে পারবেন। চাইলে ব্রণ ও ব্ল্যাকহেডস থেকে মুক্তি পেতে এটা স্ক্রাবার হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে পারেন অথবা কেবল স্ক্রাব করে হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে পারেন।

বলিরেখা কমায়: কমলায় উচ্চ মাত্রায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এটা ভিটামিন সি’য়ের ভালো উৎস। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বয়সের ছাপের বিরুদ্ধে কাজ করে বলিরেখা পড়া থেকে রক্ষা করে।

তাজা কমলার রস নিয়ে তা সারা মুখে মাখুন। ৩০ মিনিট অপেক্ষা করার পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে তা ধুয়ে ফেলুন।

রোদপোড়া সারাতে: ‘অরেঞ্জ আইস প্যাক’ ব্যবহার করতে পারেন।

এজন্য বরফের ট্রে’তে কমলার রস ঢেলে রেফ্রিজারেইটরে রেখে বরফ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এরপর বরফের কিউবটি মুখে ঘষুন। এতে আরাম অনুভব করবেন এবং ত্বকে রোদপোড়াভাব দূর হবে।

মসৃণ ও উজ্জ্বল ত্বক: কমলার রস ও মধুর সঙ্গে ময়দা মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন। মিশ্রণটি মুখ ও গলায় লাগিয়ে ১০ মিনিট পর হাতে সামান্য পানি নিয়ে তা মুখে স্ক্রাব করুন। পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করে হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।