২০৩০ বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক যে সকল দেশ

ল্যাটিন আমেরিকার তিন দেশ আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে ও প্যারাগুয়ে ২০৩০ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজনের পরিকল্পনা করেছে । বুধবার (৪ অক্টোবর) বুয়েন্স আয়ার্সে এক অনুষ্ঠানে তিন দেশের প্রেসিডেন্ট একসঙ্গে উপস্থিত থেকে এই ঘোষণা দেন।

বুধবার প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট হোরাসিও কার্টেস বলেন, নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ২০৩০ সালের বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করার পরিকল্পনার প্রস্তুতিমূলক প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।’ হোরাসিও কার্টেস আরো বলেন, এই তিন দেশ ছাড়াও অন্য অনেক দেশই এই ঐতিহাসিক বিশ্বকাপের আয়োজক হতে চাইবে।

২০৩০ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের বিশেষত্ব হলো, এই আসরেই শতবর্ষে পা রাখবে ফুটবল বিশ্বকাপের আয়োজন। ১৯৩০ সালে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছিল ফুটবলের এই বৈশ্বিক মহাযজ্ঞ। সেই যাত্রা শুরু হয়েছিল উরুগুয়েতেই। পরে ১৯৭৮ সালে বিশ্বকাপ ফুটবলের স্বাগতিকতায় ছিল আর্জেন্টিনা।

তবে প্যারাগুয়ে এখনো কোনো বিশ্বকাপ আয়োজন করেনি।প্রথম বিশ্বকাপের আয়োজন উগুরুয়ে সে বছর চ্যাম্পিয়নও হয়েছিল। পরে ১৯৫০ সালেও তারা জিতে নিয়েছিল বিশ্বসেরার খেতাব। দিনে দিনে উরুগুয়ে সেই জৌলুস হারিয়েছে। অন্যদিকে, ১৯৭৮ ও ১৯৮৬তে বিশ্বকাপ জেতা আর্জেন্টিনাও শিরোপা-খরায় ভুগছে তিন দশক হলো।

আবার, প্যারাগুয়ে সবসময়ই শক্তিশালী দলের মর্যাদা পেয়ে এলেও সেরাদের সেরার কাতারে ছিল না কখনই। লাতিনের এই তিন দেশের ফুটবল ক্রেজ নিয়ে প্রশ্ন না থাকলেও এককভাবে বিশ্বকাপের আয়োজনের অবস্থায় নেই কোনও দেশই।

সে কারণেই তিন দেশ যৌথভাবে ২০৩০ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।এর আগে, ইউরোপের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ইউয়েফা বলেছিল, ফুটবল বিশ্বকাপের শতবর্ষের আয়োজনটি ইউরোপে হওয়া উচিত বলেই তারা মনে করে।

লাতিনের তিন দেশ ২০৩০ সালের বিশ্বকাপের আয়োজন নিয়ে পরিকল্পনা করতে শুরু করলেও এখনও ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের আয়োজন দেশই নির্ধারিত হয়নি। ওই আসর যৌথভাবে আয়োজন করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা। তাদের একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী মরক্কো।

আর এর আগের দুই বিশ্বকাপ ২০২২ সালে অনুষ্ঠিত হবে কাতারে, ২০১৮ সালে রাশিয়ায়।-তথ্যসূত্র: গো নিউজ ২৪