দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার প্রশমন ঘটায় মিষ্টি কুমড়া !

আমাদের কাছে সুপরিচিত এই সবজি মিষ্টি কুমড়াতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ স্বাস্থ্য উপকারিতা। মিষ্টি কুমড়া ভিটামিন এ, বি-কমপ্লেক্স, সি এবং ই, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, আয়রন, জিঙ্ক, ফসফরাস, কপার, ক্যারটিনয়েড এবং অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমূহের ধারক।

পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের মাছ, মাংস, ডালের সঙ্গে কুমড়া রান্না করে খাওয়ার চল রয়েছে নানা জায়গায়। ভিটামিন এর পাশাপাশি মিষ্টি কুমড়ায় প্রচুর জিঙ্ক রয়েছে যা অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ করে। রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়। চুল পড়া, ত্বকের সমস্যাও দূর করে। ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না।

মিষ্টি কুমড়ার উচ্চ ফাইবার উপাদান খাদ্য হজমে খুব কার্যকরী ভূমিকা রাখে। ডায়রিয়া নিয়ন্ত্রণ ও পরিপাক নালীর খাদ্য সঠিক উপায়ে সরবরাহে মিষ্টি কুমড়ার তুলনা হয়না। তবে মনে রাখবেন কুমড়া কাঁচা খাওয়ার থেকে পাকা খেলে উপকার বেশি পাওয়া যায়।

কুমড়ায় রয়েছে এল ট্রিপটোফ্যান, যা অবসাদ কমায়। উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ থাকলে রোজ কুমড়া খান। কুমড়ায় আছে পটাশিয়াম, যা এই সমস্যাগুলোর মোকাবিলা করে। অ্যালার্জির সমস্যায়ও দারুণ কাজ দেয় কুমড়া। ঠান্ডা লাগা, সর্দির হাত থেকে বাঁচায়।

কুমড়া বাতের ব্যথাসহ দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার প্রশমন ঘটায়। যারা দীর্ঘদিন ব্যথাজনিত সমস্যায় ভুগছেন তারা প্রতিদিন যদি ১ থেকে ২ কাপ পরিমাণ মিষ্টি কুমড়া রান্না খান তাহলে অনেকটাই ব্যথা কমে আসবে।

কুমড়া গর্ভবতী মায়েদের রক্তস্বল্পতা রোধ করে অকাল প্রসবের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।  কুমড়া ও কুমড়ার বীজ গর্ভবতী মায়েরা তাদের অনাগত সন্তানের সুস্বাস্থ্যর জন্য নির্দ্বিধায় খেতে পারেন।