দ্রুত উইকেট নেওয়াটা খুবই জরুরী

দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচের আগে সাংবাদ সম্মেলনে তামিম জানান,“ওয়ালশ তার দীর্ঘ ক্যারিয়ার নিয়ে অনেক কিছুই বোলারদের বলেছে। আর খেলোয়াড়ি জীবনে তার সক্ষমতার কথা আমাদের সবারই জানা। আমি শুরু থেকেই দেখছি তিনি বোলারদের খুব ভালো শেখাচ্ছেন।

দিনশেষে আসলে বোলারদের উপরেই সবকিছু নির্ভর করে। আমাদের অনেক পরিকল্পনা থাকে, কিন্তু সে অনুযায়ী খেলতে আমরা ব্যর্থ হচ্ছি। এমন পরিস্থিতিতে সত্যিকার অর্থেই কাউকে একা দোষ দেওয়া খারাপ ”

একইদিনে ম্যাচের পরিকল্পনাও জানালেন তামিম। তার মতে, বোলাররা যদি দ্রুত কয়েকটি উইকেট নিতে পারে তবে ম্যাচ জয় অনেকটাই সহজ হয়ে যায়। তার ভাষায়,
“পরবর্তী ম্যাচে আমাদের ব্যাটিং ভালো হওয়া দরকার। একইসাথে বোলিং টাও অনেক বেশি ভালো হওয়া দরকার। আমি মনে করি বোলিং নিয়ে আমাদের অনেক কাজ বাকী। বিশেষ করে দ্রুত উইকেট নেওয়াটা খুবই জরুরী।

দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে টেস্ট সিরিজে দলের সাথে ছিলেন না বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। খেলায় আরও বেশি মনোযোগী হয়ে ফেরার জন্য জাতীয় দল থেকে ছুটি নিয়েছিলেন তিনি।

আর তার অনুপস্থিতে দলের বাকী বোলাররাও ছন্দে ছিল না। তবে ছুটি কাটিয়ে ওয়ানডে সিরিজে ফেরার পরেও দলের বোলারদের পারফর্মেন্স সেই একই রকম।

নিজেদের হারিয়ে খুঁজছেন দলের সব বোলারই। আর এই অবস্থায় অন্যান্য সিরিজের মতো এই সিরিজে এখনো বল হাতে নেতৃত্ব দিতে পারেননি সাকিব। প্রথম ওয়ানডেতে তো উইকেটের দেখাই পাননি কোনো বোলার।

আর তাই অন্যান্য বোলারের মতো সমালোচনা সহ্য করতে হচ্ছে সাকিবেরও। কিন্তু সাকিবের সতীর্থ, দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবাল মনে করছেন সাকিবকে একা দোষারোপ করা ঠিক না। একইসাথে বন্ধুর প্রতি তার বিশ্বাস, খুব দ্রুত উইকেটের দেখা পাবেন সাকিব।

ম্যাচের আগের দিন সাংবাদিক সম্মেলনে দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবাল জানান, “সাকিব-মুস্তাফিজ যখন বল করে তখন আমরা প্রতি ওভারেই উইকেট চাই। কিন্তু ক্রিকেটে এমনটা সম্ভন না। ভালো-খারাপ দিন সবারই আসে।

অথচ আমরা বলি অস্ট্রেলিয়ার সাথে সাকিবই আমাদের টেস্ট জিতিয়েছে। সুতরাং কারো সম্পর্কে আলাদাভাবে না বলে আমাদের পুরো গ্রুপ নিয়েই বলা উচিত। আমি যেহেতু ব্যাটসম্যান, ওর (সাকিব) সাথে কাজ করার সুযোগ নেই আমার।

তবে আমি যা বুঝি, সাকিব চেষ্টা করে বল হাতে অনেক ভালো করার। সে জানে তার কি করতে হবে। ও যদি বুঝতে পারে যে বোলিংয়ে তার উন্নতির জায়গা রয়েছে, তবে আমি নিশ্চিত সে এটা নিয়ে কাজ করছে।”