ক্রিকেটবিশ্বের চতুর্থ ধনী কোচ হাথুরুসিংহে

 

চন্দ্রিকা হাথুরুসিংহে বাংলাদেশের ক্রিকেটকে বদলে দেওয়ার অন্যতম রূপকার। তার হাত ধরেই বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল, চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সেমিফাইনালে খেলেছে বাংলাদেশ।

অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ডের মত দলকে টেস্টে হারিয়েছে। ঘরের মাঠে টানা ৬টি সিরিজ জয় করেছে। বেতনের দিক দিয়ে শ্রীলঙ্কান এই কোচ বিশ্বে চতুর্থ অবস্থানে আছেন। তার ওপরে কেবল ভারত, ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার কোচ।

ক্রিকইনফোর প্রতিবেদনে জানা গেছে, বিশ্বের সবচাইতে ধনী ক্রিকেট বোর্ড বর্তমানে ভারতের। ভারতের জাতীয় দলের বর্তমান কোচ রবি শাস্ত্রী বছরে বেতন পান সাড়ে ৯ কোটি টাকা। যেখানে ৬ বছর আগেও ভারত দলের কোচের বেতন ছিলো মাত্র ১ কোটি টাকা। ভারতের সাম্প্রতিক আগ্রাসী ক্রিকেটে রবি শাস্ত্রীর অবদান অসামান্য। যদিও যুবরাজ সিং, সুরেশ রায়নাদের মত পরীক্ষিত ক্রিকেটারদের ছাঁটাই করার অভিযোগও আছে তার বিরুদ্ধে।

বেতনের অংকে দ্বিতীয় স্থানে আছেন অজি কোচ ড্যারেন লেহম্যান। তার বার্ষিক আয় সাড়ে ৪ কোটি টাকারও বেশি। তৃতীয় স্থানে থাকা ৪ কোটি ২৯ লাখ টাকা বাৎসরিক আয় হচ্ছে ইংল্যান্ডের কোচ ট্রেভর বেলিসের। ক্রিকেটের ‘তিন মোড়ল’ বোর্ড আর্থিকভাবে বাংলাদেশের চেয়ে অনেক শক্তিশালী। তারপরও চতুর্থ অবস্থানটি দখল করেছেন হাথুরুসিংহে।

সাবেক এই লঙ্কান ক্রিকেটারের বাৎসরিক আয় ২ কোটি  ৮০ লাখ টাকা। এর আগে ২০১৪ সালে মাসিক ১৮ লাখ টাকা বেতনে দুই বছরের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাথে চুক্তি করেছিলেন তিনি। এরপর থেকে ধারাবাহিকভাবে সাফল্য ও পরিসংখ্যানের হিসেবে তিনিই হয়ে উঠেন টাইগারদের সেরা কোচ। যার ফলশ্রুতিতে পনের শতাংশ বেতন বাড়ানো হয় ২০১৬ সালে, যা চলবে ২০১৯ বিশ্বকাপ পর্যন্ত।

হাথুরুসিংহের পরবর্তী অবস্থানে আছেন নিউজিল্যান্ডের কোচ মাইক হেসন। তার বার্ষিক বেতন ২.৬০ কোটি টাকা। পাকিস্তানের কোচ মিকি আর্থার বছরে পাচ্ছেন ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা। এরপরের অবস্থানে রয়েছেন শ্রীলঙ্কার কোচ নিক পোথাস। তার বাৎসরিক আয় ১ কোটি ১৫ লাখ টাকা। অবাক করা বিষয় হলো, টেস্ট খেলুড়ে দেশ হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকার মত প্রথম সারির দলের কোচ রাসেল ডমিঙ্গো আছেন ৮ নম্বরে! তার আয় মাত্র ০.০৯ মার্কিন ডলার!—কালের কণ্ঠ অনলাইন