ফুলকপি খাওয়ার উপকারীতা

শীত মানেই সুস্বাদু সবজি ফুলকপির সমাহার। সবজির আধিক্যে ফুলকপির নিজস্ব অবস্থান ভিন্নতর। নানাগুণের এই সবজি রোগ প্রতিরোধক হিসেবে দারুণ উপকারী। জেনে নিন এই সবজিটির কিছু অসাধারণ স্বাস্থ্য উপকারিতা-

ক্যান্সার প্রতিরোধক

ফুলকপি ক্যান্সারের জীবাণুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে সক্ষম। স্তন ক্যানসার, কোলন ও মূত্রথলির ক্যান্সারের জীবাণুকে ধ্বংস করে এই সবজি। ক্যান্সারের জীবাণুকে দেহ থেকে বের করে দেয়ার জন্য ফুলকপির রয়েছে যথেষ্ট অবদান।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে

শীতের সুস্বাদু সবজি ফুলকপির আরও একটি অন্যতম গুণের একটি হল রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা। যারা ডায়াবেটিস ও উচ্চরক্তচাপজনিত সমস্যায় ভুগে থাকেন, তারা ফুলকপি খাবারের তালিকায় রাখতে দ্বিধা করবেন না।

মস্তিষ্ক ভালো রাখতে

ফুলকপির ভিটামিন বি উপাদান ও Choline উপাদান মস্তিষ্ক ভালো রাখতে ভীষণ উপকারি। বিশেষ করে যদি গর্ভবতী মায়েরা নিয়ম করে ফুলকপি গ্রহণ করেন, তাহলে নবজাতকের মস্তিষ্কের সম্পূর্ণ বিকাশ সাধন ঘটে।

বাড়তি ওজন কমাতে

ফুলকপি  শরীরের বাড়তি মেদ কমিয়ে  শরীরকে একটি সুন্দর গঠনে আনতে সাহায্য করে। যারা তাদের শরীরের বাড়তি ওজন নিয়ে চিন্তিত ও ডায়েট করার কথা ভাবছেন তারা নির্দ্বিধায় ডায়েট লিস্টে ফুলকপির নাম অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন।

হজমে সাহায্যকারী

ফুলকপির উচ্চ ফাইবার উপাদান  খাদ্য হজম প্রক্রিয়াতে খুব সহায়ক।  যদি শীতের এই সময়টাতে  প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় সামান্য করে হলেও ফুলকপির কোন পদ রাখা যায়, তাহলে  খাবারে হজম নিয়ে কোন সমস্যায় হচ্ছে না।