লন্ডন-আমেরিকাকে পিছনে ফেলে পর্নতে ভারতীয় নারীরা এগিয়ে

ফের প্রকাশ্যে এল পর্নহাবের সমীক্ষার রিপোর্ট। স্বাভাবিকভাবেই সামনে এসেছে নীলছবি নিয়ে অদ্ভুত সব তথ্য। বিশেষ করে ভারতীয়দের নিয়ে অনেক তথ্য পরিসংখ্যান উঠে এসেছে পর্ন হাবের ইয়ার ইন রিভিউতে।

প্রথমত ভারত এই নীলছবি দেখার ক্ষেত্রে বেশ খানিকটা উপরে উঠে এসেছে। গোটা বিশ্বের মধ্যে তিন নম্বরে রয়েছে ভারত। আমেরিকা আর লন্ডনের পরই ভারত। যেখানে পাকিস্তান প্রথম ২০তেই জায়গা করে নিতে পারেনি। এই ২০টি দেশ মিলে পর্ন ছবির ৮০ শতাংশ ট্রাফিক দখল করে ফেলেছে। মোট ৬,৭৩২ পেটাবাইট ডেটা খরচ হয়েছে সারা বছরের পর্ন ছবি দেখতে।

আর একটা মজার বিষয় হল ভারতীয়দের নীলছবি দেখার ক্ষেত্রে অনেকটাই এগিয়ে আছে মহিলারা। মহিলা দর্শকের সংখ্যা সবথেকে বেশি বেড়েছে এদেশে। এক বছরে ১২৯ শতাংশ বেড়ে মহিলা দর্শকের সংখ্যা, যা বিশ্বের সব দেশের তুলনায় বেশি।

মহিলা দর্শকের সংখ্যায় ক্ষেত্রে ভারতের আগে রয়েছে ফিলিপিন্স, ব্রাজিল ও দক্ষিণ আফ্রিকা। অর্থাৎ বিশ্বে পর্নছবির মহিলা দর্শকের তালিকায় চতুর্থ ভারত। এমনকি মহিলা দর্শকের সংখ্যায় আমেরিকা-লন্ডনকেও পিছনে ফেলে দিয়েছে ভারত। আর সবথেকে বেশি সার্চ করা পর্নস্টার হল সানি লিওন।

এর পিছনে রয়েছে একটি বিশেষ কারণ। তা হল পর্নহাবের “Porn for Women” ক্যাটাগরি। যার ফলে পর্নহাবের জনপ্রিয়তা আকাশ ছুঁয়েছে। এছাড়া “Me too”-র মত ট্রেন্ড এটাই প্রমাণ করে দিয়েছে যে মহিলারা যৌনতা নিয়ে অনেক বেশি খোলাখুলিভাবে আলোচনা করতে এগিয়ে এসেছে।

পর্নতে লন্ডন-আমেরিকাকে পিছনে ফেলেছে ভারতীয় নারীরাঅন্যদিকে, কিভাবে ভারতীয়রা পর্ন দেখছে সেটাও রয়েছে এই সমীক্ষায়। ২০১৬-তে দেখা গিয়েছিল ৭০ শতাংশ পর্ন দেখে স্মার্টফোনে। আর ২৮ শতাংশ দেখে ডেস্কটপে। বাকি ২ শতাংশ ট্যাবে। কিন্তু ২০১৭-তে দেখা গিয়েছে, ভারতীয়দের স্মার্টফোনে পর্ন দেখার প্রবণতা বেড়েছে ৮৬ শতাংশ। আর ডেস্কটপে মাত্র ১৩ শতাংশ।

এমনকি উৎসবের দিনেও পর্ন ছবি দেখায় কোনও খামতি থাকে না। যেখানে নিউ ইয়ারস ইভে আমেরিকাতেও ২৭ শতাংশ কমে গিয়েছিল পর্ন ছবি দেখার প্রবণতা। সেখানে, ভারতে কেবলমাত্রা হোলিকা দহনেই কমেছিল এই নেশা, তাও মাত্র ১৬ শতাংশ। অর্থাৎ, হাবে ভাবে যতই সংস্কারি হোক না কেন, দুষ্টুমিতেও কিন্তু ভারতীয় বেশ এগিয়েছে গিয়েছে।