ওজন কমান মজার ৫টি উপায়ে…

ওজন একটুখানি কম করার জন্য কত কিছুই না করছেন, তাই না? দিনের পর দিন না খেয়ে থাকছেন, এতগুলো টাকা খরচ করে জিমে যাচ্ছেন, নানান রকমের হারবাল চা আর ওষুধ খাচ্ছেন। তবে ফল কি কিছু মিলছে? মিলছে না! কারণ কিছুদিন পর বিরক্ত হয়ে ছেড়ে দিচ্ছেন চেষ্টা গুলো। এই ব্যস্ত জীবনে নিজের জন্যই সময় মেলে না, জিমের জন্য কীভাবে মিলবে !

ব্যস্ততার জন্য যারা নিজের ওজনের দিকে মনযোগ দিতে পারছেন না, এই টিপস গুলো তাদের জন্যই!ওজন কমানোর আছে কিছু মজার উপায়। মজার এই উপায়গুলো অনুসরণ করার সময় ব্যায়াম করার কষ্ট অনুভুত হয়না। আবার সময়ও নষ্ট হয় না। তাই এই ধরণের ব্যায়ামগুলো করতেও বিরক্তিবোধ হয়না কখনোই। আসুন জেনে নেয়া যাক ওজন কমানোর মজাদার ৫টি উপায় সম্পর্কে।

টিভি দেখার সময় ব্যায়াম
প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে অনেকেই টিভি দেখে থাকেন। যারা নিয়মিত টিভি দেখেন তারা এই সময়টিকে কাজে লাগাতে পারেন। টিভি দেখার সময় সোফায় বসে কিংবা মেঝেতে দাঁড়িয়ে ইচ্ছে মত হাত পা ছুড়াছুঁড়ি করে ব্যায়াম করুন। কিছুক্ষন লাফান, কিছুক্ষণ বসে হাটু উঁচু করুন আবার কিছুক্ষন এক জায়গায় দাঁড়িয়ে জগিং করুন। এভাবে নিয়মিত করলে খুব কম সময়েই বাড়তি ওজন ঝরে যাবে।

গান ছেড়ে নাচুন
গান শুনতে তো সবাই ভালোবাসে। আর গানের সঙ্গে যদি মন খুলে নাচা যায় তাহলে তো কথাই নেই। নিজের রুমের দরজা বন্ধ করে প্রতিদিন কিছুটা সময় গানের তালে তালে ইচ্ছে মতন নাচুন। তাহলে অনেক ক্যালোরি ক্ষয় হবে এবং বাড়তি ওজন কমে যাবে।

সন্তান/ভাইবোনের সঙ্গে খেলুন
আপনার সন্তানকে নিয়ে নিয়মিত খেলুন। সন্তানের সঙ্গে নিয়মিত খেলাধুলা করলে এবং দৌড়াদৌড়ি করলে শরীরে বাড়তে মেদ জমবে না এবং অতিরিক্ত মেদ ঝরে যাবে। নিয়মিত খেলাধুলা করলে আপনার সন্তানের স্বাস্থ্যও ভালো থাকবে। এছাড়াও সন্তানের সঙ্গে নিয়মিত খেলাধুলা করলে তার সঙ্গে আপনার ভালোবাসার বন্ধনটা আরো দৃঢ় হবে।

সিঁড়ি বেয়ে উঠুন ও নামুন
প্রতিদিন বাসায়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কিংবা অফিসের সিঁড়ি বেয়ে উঠা নামা করুন। লিফট থাকলেও সেটা এড়িয়ে চলুন। তাহলে অনেক ক্যালোরি পুড়বে এবং বাড়তি মেদ জমবে না শরীরে।

পোষা প্রাণীকে নিয়ে হাঁটুন
একা একা হাঁটতে যদি বিরক্ত লাগে তাহলে একটি ছোট কুকুর কিংবা বিড়াল পালুন। এরপর সেটাকে সঙ্গে নিয়ে হাঁটতে বের হয়ে যান। পোষা প্রাণীর সঙ্গে হাঁটা অনেক বেশি আনন্দদায়ক এবং কার্যকরী। ফলে আপনার হাঁটার একঘেয়েমী দূর হয়ে যাবে এবং নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস তৈরী হবে যা ওজন কমাতে সহায়ক।