পুষ্টিকর খাবার, মধুর দাম্পত্য জীবন !

সুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালো বোঝাপড়ার পাশাপাশি দরকার স্বাস্থ্যকর দৈহিক সম্পর্ক। কিন্তু খাদ্যাভাসের মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাবের কারণে সম্প্রতি অধিকাংশ পুরুষেরই মিলনের আকাঙ্ক্ষা কমে যাচ্ছে। ফলে প্রায়ই দেখা যায়, দৈহিক দুর্বলতার কারণে সংসারে অশান্তি, এমনকি বিচ্ছেদ পর্যন্ত হয়। আজকাল এ সমস্যা থেকে সমাধান পেতে প্রাকৃতিকভাবেই দৈহিক শক্তি বর্ধক খাদ্যই অনেক বেশি কার্যকরী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

তাই দাম্পত্য জীবনে সুখী হতে হলে দৈনন্দিন খাবারের প্রতি বিশেষ সতর্কতা জরুরি।গবেষণায় দেখা গেছে, খাবার মেনু্তে নিয়মিত দুধ, ডিম এবং মধু রাখলে আর নিয়মতান্ত্রিক জীবন যাপন করলে দৈহিক (যৌন) দুর্বলতা থাকে না।তাই আগে থেকে সতর্ক থাকলে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে না আপনাকে। আপনার যৌন শক্তি বৃদ্ধির জন্য কোনো প্রকার ওষুধের প্রয়োজন নেই, তার জন্য দৈনন্দিন পুষ্টিকর খাবারই যথেষ্ট।

১. ডিম: দৈহিক দুর্বলতা দূর করতে ও উত্তেজনা বাড়াতে ডিম এক অসাধারণ খাবার। প্রতিদিন ১টি করে, না পারলে সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন ১টি করে ডিম সিদ্ধ করে খান। দেখবেন আপনার যৌন দুর্বলতার সমাধান পাবেন।

২. কফি: কফিতে যে ক্যাফেইন থাকে তা আপনার মিলনের মুড কার্যকর রাখে।

৩. মধু: যদি তাই দৈহিক শক্তি বাড়াতে চান, তাহলে প্রতি সপ্তাহে অন্তত ৩/৪ দিন ১ গ্লাস গরম পানিতে ১ চামচ খাঁটি মধু মিশিয়ে পান করুন।

৪. রসুন: রসুনে রয়েছে এলিসিন নামের উপাদান। এটি দৈহিক ইন্দ্রিয়গুলোতে রক্তের প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়। তাই দৈহিক সমস্যা থাকলে এখনই নিয়মিত রসুন খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। দৈহিক উদ্দীপনা বাড়াতে এবং জননাঙ্গকে পূর্ণ সক্রিয় রাখতে রসুনের পুষ্টিগুণের কার্যকারিতা সর্বজনস্বীকৃত।

৫. দুধ: যেসব খাবারে বেশি পরিমাণ প্রাণিজ-ফ্যাট আছে এমন প্রাকৃতিক খাদ্য আপনার যৌনজীবনের উন্নতি ঘটায়। যেমন, খাঁটি দুধ, দুধের সর, মাখন ইত্যাদি। আপনি যদি শরীরে সেক্স হরমোন তৈরি হওয়ার পরিমাণ বাড়াতে চান তাহলে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট জাতীয় খাবার খেতে হবে। তবে খাবারগুলো হতে হবে প্রাকৃতিক এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট।

৬. গরুর মাংস: গরুর মাংসে প্রচুর জিঙ্ক থাকে। তাই আপনি মিলনকে আরও আনন্দময় করতে কম ফ্যাটযুক্ত গরুর মাংস খান। যেমন গরুর কাঁধের মাংসে, রানের মাংসে কম ফ্যাট থাকে এবং জিঙ্ক বেশি থাকে।

৭. কলা: কলায় রয়েছে ভিটামিন এ, বি, সি ও পটাশিয়াম। ভিটামিন বি ও পটাশিয়াম মানবদেহের যৌনরস উৎপাদন বাড়ায়। আর কলায় থাকা ব্রোমেলিয়ান শরীরের টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়াতেও সহায়ক। সর্বোপরি কলায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণ শর্করা যা দেহের শক্তি বৃদ্ধি করে। এর ফলে দীর্ঘসময় ধরে দৈহিক মিলনে লিপ্ত হলেও আপনার ক্লান্তি আসে না।

৮. চকলেট: চকলেটে রয়েছে ফেনিলেথিলামিন (পিইএ) ও সেরোটোনিন। এগুলো মিলনের উত্তেজনা ও দেহে শক্তির মাত্রা বাড়াতে সহায়তা করে।