ওয়াইফাইয়ের গতি বাড়বেন যেভাবে

আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে ইন্টারনেটের গুরুত্ব অপরিসীম। ইন্টারনেট অনেকটা মৌলিক চাহিদার মতো হয়ে গেছে। বাসাবাড়িতে দিন রাত ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য ওয়াইফাই এখন অন্যতম মাধ্যম।

বিশেষ করে শহরের প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই ইন্টারনেট মানে ওয়াইফাই। যা একটি রাউটারের মাধ্যমে সংযোগ দেওয়া হয়। তবে অল্প ভুলের দুর্বল হতে পারে ওয়াইফাই সিগনাল। তাই শক্তিশালী সিগনালের জন্য জানা দরকার রাউটারের সঠিক অবস্থান।

দুর্বল সিগন্যালের কারণে আপনার ইন্টারনেট ব্যবহারের অভিজ্ঞতা হতে পারে তিক্ত। কেবল কয়েক ইঞ্চির উপর-নিচ ওয়াইফাই সিগনালে ব্যাপক ব্যবধান গড়তে পারে। সঠিক সিগন্যাল পেতে ওয়াইফাই রাউটারের অবস্থানের ক্ষেত্রে যেসব বিষয় মাথায় রাখতে হয় সেগুলো হলো-

রাউটারের অবস্থান: অনেকেই রাউটারটির অবস্থান নির্বাচনের ক্ষেত্রে উদাসীন। রাউটারের অবস্থান নির্বাচনের ক্ষেত্রে উঁচু স্থান নির্বাচন করতে হবে। সেই সঙ্গে দেখতে হবে আপনার ডিভাইসগুলো ও রাউটারের অবস্থানের মধ্যে কোনো কংক্রিট বা ধাতব বস্তুর বাধা আছে কী না। কারণ এই দুটি উপাদান ওয়াইফাই সিগনালকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

ফ্ল্যাটের মাঝামাঝি উঁচু কোনো স্থানে রাউটারটি রাখলে সবচেয়ে ভালো ফল পাওয়া যাবে। সেক্ষেত্রে অবশ্য দূরত্বও একটি অপরিহার্য বিষয়। ডিভাইস ও রাউটারের মধ্যে দূরত্ব যত কম হবে তত ভালো। তখন রাউটারের সক্ষমতা দেখে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

ডিজিটাল নয়েজ: প্রতিটি ইলেক্ট্রনিকস ডিভাইস থেকে এক প্রকারের তরঙ্গ তৈরি হয়। আর সেটিকে ডিজিটাল নয়েজ বলে। এটি ওয়াইফাই সিগনালকে আটকে দিতে পারে। প্রতিটি ডিজিটাল ডিভাইসের ক্যাবলের সঙ্গে ফেরিট ব্যান্ড যুক্ত থাকলে এই ধরনের সমস্যা কমিয়ে আনা যায়।

মাইক্রোওয়েভ: ডিভাইস ও রাউটারের মধ্যে মাইক্রোওয়েভ ওভেন থাকলে মাইক্রোওয়েভ চলাকালীন আপনার ওয়াইফাই সিগনাল দুর্বল হতে পারে। কারণ মাইক্রোওয়েভের তরঙ্গ ওয়াইফাই সিগনালকে মারাত্মকভাবে বাধা দেয়। কারণ মাইক্রোওয়েভ কাজ করে ২.৪৫ গিগাহার্টজে যা ২.৪ গিগাহার্টজের ওয়াইফাই তরঙ্গের কাছাকাছি। ব্লুটুথের সঙ্গেও একই ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।