রাজশাহীতে 4G চালু করলো গ্রামীণফোন

গ্রামীণফোন সেরা সেবার প্রতিশ্রুতি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজশাহী শহরের কিছু এলাকায় ৪জি সেবা চালু করেছে। রবিবার গ্রামীণফোনের হেড অফ ট্র্যান্সফরমেশন কাজী মাহবুব হাসান আনুষ্ঠানিকভাবে ফোর-জি চালু করার ঘোষণা দেন।

গ্রামীণফোনের টেকনোলজি বিভাগের ডিরেক্টর ডেপ্লয়মেন্ট এন্ড প্রোজেক্ট মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এবং রাজশাহী বিজনেস সার্কেল প্রধান তৌহিদুর রহমান তালুকদার এসময় উপস্থিত ছিলেন।

বর্তমানে রাজশাহীর নিউমার্কেট এবং আলুপট্টি এলাকায় ফোর-জি সেবা চালু হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে খুলনার আরও কিছু এলাকা ফোর-জি কাভারেজের আওতায় আসবে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা এবং খুলনার কিছু এলাকাতেও ফোর-জি চালু আছে। বেশিরভাগ বিভাগীয় শহরে অচিরেই ফোর-জি চালু হবে। প্রতিষ্ঠানটি থ্রি-জির ক্ষেত্রে যেমন করেছিল এবারও একই রকম দ্রুতগতিতে ফোর-জি বিস্তার করা হবে। আগামী ছয় মাসের মধ্যেই সব জেলা শহরে ফোর-জি পৌঁছে যাবে।

ফোর-জি সেবা চালু করার সময় গ্রামীণফোনের হেড অফ ট্র্যান্সফরমেশন কাজী মাহবুব হাসান বলেন, “গ্রামীণফোন রাজশাহীর গ্রাহকদের জন্য সেরা সেবা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং ফোর-জির ক্ষেত্রেও এর কোন ব্যাতিক্রম হবে না। রাজশাহীর মানুষ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসাগুলো ফোর-জি চালু হওয়ায় বিপুলভাবে উপকৃত হবে।”

এর আগে গ্রামীণফোনকে ফোর-জি পরিচালনার লাইসেন্স দেওয়া হয়। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি ১৮০০ ব্যান্ড ৫ মেগাহার্জ বেতার তরঙ্গ কেনার ফলে ফোর-জি/এলটিই বিস্তারের জন্য সবচেয়ে কাংক্ষিত ব্যান্ডে সর্বাধিক স্পেকট্রাম হাতে পেয়েছে। এই নতুন স্পেকট্রাম এবং বিদ্যমান স্পেকট্রামে প্রযুক্তি নিরপেক্ষতা গ্রামীণফোনকে সেরা ফোর-জি সেবা দেয়ার ক্ষেত্রে একটি শক্ত অবস্থানে পৌছে দিয়েছে।

প্রযুক্তি নিরপেক্ষতার ফলে গ্রামীণফোন তার ৯০০, ১৮০০ এবং ২১০০ মেগাহার্জ ব্যান্ডের স্পেকট্রামে আরও দক্ষতার সাথে ভয়েস ও ডাটা সেবা দিতে পারবে।

জনাব মাহবুব আরও বলেন, “ফোর-জি রাজশাহীর ডিজিটালাইজেশনকে আরো এগিয়ে দেবে এবং গ্রামীণফোন তার আধুনিক নেটওয়ার্ক ও সেরা ফোর-জি সেবা নিয়ে এতে সহায়তা দেবে।”

ফোর-জি বিস্তারের সাথে সাথে নেটওয়ার্কের আধুনিকায়নের ফলে গ্রাহকরা এইচডি ভিডিও, লাইভ টিভি স্ট্রিমিং, ঝকঝকে ভিডিও কল আর দ্রুতগতির ডাউনলোড উপভোগ করতে পারবেন।

গ্রাহকরা *১২১*৩২৩২# ডায়াল করে জানতে পারবেন যে তাদের সিম ফোর-জি উপযোগী কি না। যদি না হয় তাহলে নিকটস্থ সিম পরিবর্তন কেন্দ্র বা গ্রামীণফোন সেন্টারে গিয়ে সিম পরিবর্তন করতে অনুরোধ করা যাচ্ছে। এছাড়াও তাদের একটি ফোর-জি উপযোগী হ্যান্ডসেটও প্রয়োজন হবে।