নেপালে বাংলাদেশী বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ৫০

নেপালের রাজধানী কাঠমাণ্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে বাংলাদেশী একটি বিমান বিধ্বস্ত হলে কমপক্ষে ৫০ জন নিহত হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।

বাংলাদেশের ঢাকা থেকে ৭১ জন আরোহী নিয়ে বিমানটি রানওয়েতে অবতরণ করার পরপরই এই দুর্ঘটনা ঘটে। তখন বিমানটিতে আগুন ধরে যায়।

নেপালের পুলিশ বিবিসিকে জানিয়েছে, ৩১ জন ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন। আরো ৯ জন পরে হাসাপাতালে মারা গেছেন।

এখনও আটজন নিখোঁজ রয়েছে। বাকিদেরকে হাসপাতালে চিকিৎসা করা হচ্ছে। তাদের মধ্যে অনেকের অবস্থাই গুরুতর।

বেঁচে যাওয়া যাত্রীদের একজন নেপালের একটি সংবাদপত্রকে বলেছেন, বিধ্বস্ত বিমানটির জানালা দিয়ে তিনি বের হয়ে আসেন। এবং তিনি নিজেকে ভাগ্যবান বলে মনে করছেন। দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে এখনও কিছু জানা যায়নি।

এদিকে, কাঠমান্ডুতে ইউএস বাংলা বিমান দুর্ঘটনায় বেঁচে যাওয়া যাত্রী বসন্ত বোহরা বলেছেন, সৌভাগ্যক্রমে তিনি বেঁচে গেছেন। সোমবার ত্রিভুবন বিমানবন্দরে ওই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কয়েকজন যাত্রী হতাহত হয়েছে বলে কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছে।

বসন্ত বোহরা এবং আরো ১৫ জন নেপালি আরোহী ছিলেন বিমানটিতে। তারা রাস্তবিতা ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস-এর পক্ষ থেকে তারা বাংলাদেশে এসেছিলেন প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে।

বসন্ত বলেন, ঢাকা থেকে বিমানটি উড্ডয়নের সময় সবকিছুই ঠিকঠাক ছিল। কিন্তু কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে অবতরণের সময় বিমানটি অদ্ভূত আচরণ করছিল।

তিনি বলেন, হঠাৎ করে বিমানটি প্রবলভাবে ঝাঁকুনি দেয়। তারপরই হয় প্রচণ্ড শব্দ। আমার আসনটি ছিল বিমানের কাছে। আমি জানালা ভেঙে বের হতে পেরেছিলাম।

তিনি এখন থাপাথালিভিত্তিক নরভিক হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।