ঠোঁট ফাটা রোধ করতে করনীয়

শীতের খুব বেশি দেরি নেই। বছরের অন্যান্য সময়ের চেয়ে এসময় ঠোঁটের জন্য সবচেয়ে খারাপ । কারণ এসময় অনেকেই ঠোঁটফাটা সমস্যায় ভোগেন। ত্বক যেমন এসময় আর্দ্রতা হারিয়ে শুষ্ক হয়ে পড়ে, তেমনি ঠোঁটও আর্দ্রতা হারায়। তবে ত্বকের চেয়ে ঠোঁট দশগুণ শুষ্ক হয়। কারো কারো ঠোঁট ফেটে রক্তও বের হয়। এজন্য এসময় ঠোঁটের বিশেষ যত্ন নেয়া দরকার।

যখনই ঠোঁট শুকিয়ে যায়, স্বাভাবিকভাবেই সবাই বারবার জিভ দিয়ে ঠোঁট ভেজানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু রূপবিশেষজ্ঞরা বলছেন, এভাবে ঠোঁট ভেজালে উল্টো ফল হতে পারে। শুষ্ক ঠোঁট আরো শুষ্ক হয়ে ওঠে। যাদের ঠোঁট বেশি শুকায়, শীতের শুরু থেকে তাদের ঠোঁটের নিয়মিত সুরক্ষায় পেট্রোলিয়াম জেলি, গ্লিসারিন ব্যবহার করা উচিত। প্রয়োজনে সাথে করে বাইরেও নিয়ে যেতে পারেন।

ঠোঁট ফাটা রোধে প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে। সেই সঙ্গে ভিটামিন এ এবং সি সমৃদ্ধ খাবার ঠোটেঁর সুরক্ষায় খুবই জরুরি। এজন্য পর্যাপ্ত ফলমূল ও শাকসবজি খেতে হবে। ঠোঁটের সুরক্ষায় এসময় ঘরে স্ক্র্যাব তৈরি করতে পারেন। যা ঠোঁটের আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনবে। মধু ও গ্লিসারিন একসঙ্গে মিশিয়ে ঠোঁটে লাগালে উপকার পাবেন। শুধু মধুও লাগাতে পারেন ঠোটের যত্নে।

অ্যাভোকাডো ফল গুড়া করে তাতে এক চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে ঠোঁটে লাগাতে পারেন। পনেরো মিনিট পরে হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দিনে একবার এটা করলে উপকার পাবেন। এক চামচ গোলাপ জলের সঙ্গে এক চামচ মধু মিশিয়ে ঠোঁটে লাগান। পনেরো মিনিট পরে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতেও ঠোঁটের শুষ্কতা কমে যাবে, ফিরে আসবে আর্দ্রতা।