দাদার মরদেহ দেখা হলো না মেডিকেল ছাত্রী শ্রেয়ার

দাদার মরদেহ দেখা হলো না টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজের নেপালী ছাত্রী শ্রেয়া ঝা’র। সোমবার দুপুরে নেপালে বিমান দুর্ঘটনায় তার মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। নেপালের মাহোত্রারী সানফা-৩ এলাকায় শ্রেয়াদের বাড়ি। তার বাবার নাম লাকসমান ঝা ও মায়ের নাম মাধুরী ঝা।

শ্রেয়া কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজের পঞ্চম বর্ষের ছাত্রী ছিলেন।কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অফিস ইনচার্জ রতন সরকার বলেন, শ্রেয়া ঝা তার দাদার মৃত্যু সংবাদ পেয়ে মৃতদেহ দেখার জন্য কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে ছুটির আবেদন করেন।

কর্তৃপক্ষ তার ছুটি মঞ্জুর করলে সোমবার সকালে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজে নেপালের উদ্দেশ্যে রওনা হন।দুপুর আড়াইটার দিকে নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে বিমানটি দুর্ঘটনায় পতিত হলে অন্যদের সঙ্গে তারও মৃত্যু হয়।

কুমুদিনী কর্তৃপক্ষ শ্রেয়ার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তার মৃত্যুর ব্যাপারে নিশ্চিত হয়।রতন সরকার জানান, বর্তমানে কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজে ৪২জন নেপালী ছাত্রী লেখাপড়া করছেন। এরমধ্যে ৬ জন শ্রেয়ার ক্লাসমেট।

কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপাল ডা. আব্দুল হালিম বলেন, এ রকম মৃত্যু কারও কাম্য হতে পারে না। শ্রেয়া ঝা’র মৃত্যুতে বুধবার বেলা বারোটায় কলেজ ক্যাম্পাসে প্রার্থনা সভার আয়োজন করা হবে।-তথ্যসূত্র: পরিবর্তন ডটকম