আজ ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামবে টাইগাররা

গত শনিবার শ্রীলংকার বিপক্ষে যেভাবে জয়টা এসেছে তাতে অবশ্যই আত্মবিশ্বাসের  সর্বোচ্চ জ্বালানীটাই পেয়েছে বাংলাদেশ। তবে প্রতিপক্ষ যখন ভারত তখন যে শুধু আত্মবিশ্বাস নিয়েই জয় পাওয়া সম্ভব হবে না সেটা বাংলাদেশও বুঝতে পারছে। নিদাহাস ট্রুফিতে বাংলাদেশের তৃতীয় ম্যাচে আজ বুধবার আবারও প্রতিপক্ষ ভারত।

নিজেদের সর্বেচ্চটা দিয়ে ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে প্রথম জয় পেতেও মরিয়া টাইগাররা। কলম্বোয় আজ ও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তাই বিষয়টা মাথায় রাখতে হচ্ছে দু’দলকেই। উইকেট ব্যাটিং সহায়ক। প্রেমাদাসায় টস খুবই গুরুত্বপূর্ন হয়ে উঠেছে। এখানে যারারই পরে ব্যাট করছে তারাই জিতছে। এমন সব সমীকরণকে সামনে রেখে আজ বুধবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।

নিদহাস ট্রফিতে শুরু থেকেই নানা নাটকীয়তা চলছে। প্রথম ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে লংকানদের দাপুটে জয়। পরের ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের অসহায় আত্মসমর্পন। আবার শ্রীলংকার বিপক্ষে বাংলাদেশের রেকর্ড ২১৫ রান তাড়া করে জয়। তবে বাংলাদেশের মতো ভারতও আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে রয়েছে। সোমবার তারা শ্রীলংকার বিপক্ষে বড় জয় পেয়েছে।

আজ বুধবার জিতলেই তারা ফাইনালে। আবার বাংলাদেশ জিতলে অপেক্ষায় থাকতে হবে ভারতকে। শ্রীলংকার বিপক্ষে শুক্রবার বাংলাদেশের পরবর্তি ম্যাচের ফলের উপর নির্ভর করবে কারা ফাইনালে খেলবে। শ্রীলংকাকে হারানোর পর থেকেই বিমূর্ষ হয়ে যাওয়া বাংলাদেশের ড্রেসিংরুমে প্রাণের ছোয়া পেয়েছে। ভারতের বিপক্ষে ছয় ম্যাচে মুখোমুখি হয়ে একটিতেও জিততে পারেনি বাংলাদেশ। সেই ভারতের বিপক্ষে জিততে হলে তো অবশ্যই নিজেদের সেরাটা দিয়েই খেলতে হবে।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আগের ম্যাচে ব্যাটিংয়ে প্রায় সবাই ভালো করেছেন। বিশেষ করে শুরুতে লিটন দাস ও তামিম ইকবালের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়েই জয়ের ভিত তৈরি হয়ে যায়। এরপর মুশফিকুর রহিমের ৩৫ বলে অপরাজিত ৭২ রানের ইনিংসে জয়ের বন্দর পৌছায় টাইগাররা। ব্যাটিংয়ে চিন্তা সাব্বিরকে নিয়ে। তিনি তো উইকেটে গিয়ে ব্যাটে-বলেই সংযোগ করতে পারছেন না। তার শারীরিক ভাষাও প্রশ্নবিদ্ধ।

আজ তাই তার পরিবর্তে পেস অলরাউন্ডার আরিফুল হক বা নূরুল হাসান সোহানকে একাদশে দেখা যেতে পারে। এছাড়া বোলিং তাসকিন আহমেদ ভালো করতে পারেননি।  তার পরিবর্তে আবু হায়দার রনিকে ভাবতে পারে টিম ম্যানেজমেন্ট। অবশ্য ভারতের বিপক্ষে তাসকিনের আগে ভালো করার রেকর্ড রয়েছে।

বোলিংটা যেমন বাংলাদেশের চিন্তার কারন ঠিক তেমনই ভারতের বৈচিত্রময় বোলিং ভয়ের কারনও। অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ বলেন, ‘ভারতের বোলার দারুণ করছে। ওদের পুরো বোলিং ইউনিটই গতি বৈচিত্র খুব ভালো ভাবে করতে পারছে। শুধু পেসাররা নয়, স্পিনাররাও। অনেক মš’র বল করছে, টার্নও করছে বল। পেসাররাও গতির হেরফের খুব ভালো করছে। আমাদের এই বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে।’

কলম্বোর আর প্রেমাদাসায় টস খুবই গুরুত্বপূর্ন হয়ে উঠেছে। এখানে যারারই পরে ব্যাট করছে তারাই জিতছে। টস জিতলে দু’দলের অধিনায়কই তাই হয়তো ফিল্ডিং নেবেন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পরে ব্যাট করে ম্যাচটা জিতেছে বাংলাদেশ।