সাফল্যের জন্য এড়িয়ে চলুন ৩টি বিষয়

আমরা প্রত্যেকেই জীবনে কোনো না কোনো ভাবে সাফল্য পেতে চাই। কিন্তু বাস্তবে আমরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ব্যর্থ হই। আর ব্যর্থ হলে নিজেদের ত্রুটি না দেখে আমরা চেষ্টা করি অন্যদের বা পরিপার্শ্বের সমস্যা দেখতে।প্রকৃতপক্ষে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আমরা ব্যর্থ হই নিজেদেরই কোনো না কোনো ত্রুটির জন্য।

যখনই আপনি কোনো ব্যাপারে ব্যর্থ হবেন, প্রথমেই নিজেকে বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করুন। বিশ্লেষণ করার পর দেখবেন আপনার কোনো না কোনো দৃষ্টিভঙ্গি বা মনোভাব আপনার ব্যর্থতার ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছে। আপনার সাফল্যকে বারবার বাধাগ্রস্ত করে এমন কিছু দৃষ্টিভঙ্গি বা মনোভাব নিয়ে আজ লেখা হল-

অন্যদের সাফল্যের সংজ্ঞা মেনে চলা

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আমরা নিজেরা চিন্তা না করে অপরের দেওয়া সাফল্যের সংজ্ঞা মেনে চলি। কিন্তু মনে রাখা প্রয়োজন যে, আপনার জীবনের সাথে অন্য কারো জীবনই পুরোপুরি মিলবে না। তাই অন্যরা যেসব বিষয়কে সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করছে সেগুলি আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নাও হতে পারে। তাই নিজের জন্য সাফল্যের একটি আলাদা সংজ্ঞা তৈরি করুন। এক্ষেত্রে প্রাধান্য দিন নিজের ইচ্ছা, দক্ষতা ও সার্বিক পরিস্থিতিকে।

সমালোচনার ভয় পাওয়া

সমালোচনার ভয় আমাদের সবার মধ্যেই কমবেশি আছে। নিজের মতো করে একটি কাজ করার পর আমরা ভাবতে থাকি অন্যরা বিষয়টিকে কিভাবে দেখছে। মূলত অনেকে এই কারণে নতুন কিছু করতেই শঙ্কা বোধ করে থাকে। এটি একটি মারাত্মক নেতিবাচক মনোভাব, যা আপনার সাফল্যকে বাধা দিয়ে যাবে প্রতিটি পদে পদে।

আপনাকে স্মরণে রাখতে হবে যে, পৃথিবীর এমন কোনো ব্যক্তি নেই যিনি সমালোচিত হননি। তাই সমালোচিত হবার ভয় কখনোই করবেন না। কোনো বিষয় আপনার কাছে যুক্তিযুক্ত মনে হলে নির্দ্বিধায় তা করতে থাকুন। আপনার চিন্তা সঠিক থাকলে অবশ্যই সাফল্য দেখা দেবে।

অতীতে পড়ে থাকা

অতীত নিয়ে আমরা সবাই কিছুটা উদ্বিগ্ন থাকি। কোনো ব্যাপারে অতীতে ব্যর্থ হলে আমরা ভাবি ভবিষ্যতে আবারও আমরা ব্যর্থ হব। কিন্তু বাস্তবে সব সময় তা নাও ঘটতে পারে। আপনাকে স্মরণে রাখতে হবে যে, অতীত থেকে ভবিষ্যতের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন হতে পারে।

তাছাড়া অতীতের ব্যর্থতার শিক্ষা ভালোভাবে নিতে পারলে ভবিষ্যতে সাফল্য লাভ আরও সহজ হয়ে আসে।