ইফতারে যা খাওয়া উচিত

গরমকালে রোজা রাখা বেশ কষ্টকর। বছর ঘুরে গরমের দিনে আবার এসেছে পবিত্র রমজান মাস। ইফতারে আয়োজন করা হবে নানা মুখরোচক খাবার। তবে সব খাবারই স্বাস্থ্য সম্মত নয়। কিন্তু সেহরি ও ইফতারে যথোপযুক্ত পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার মাধ্যমে সুস্থ থাকা যায়। এবার দেখে নিন কোন কোন খাবারে প্রতিদিন ইফতার করলে স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।

খেজুর : ইফতারের জন্য খেজুর খুবই উপকারী। সুস্বাদু এই মরু ফলটিতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ফাইবার বা আঁশ, খনিজ এবং ভিটামিন। প্রতিদিন ইফতারে অন্তত ৩-৪ টা খেজুর খেলে দারুণ উপকার পাওয়া যাবে।

দই-চিড়া : সারাদিন রোজার পর ক্লান্ত হয়ে পড়ে শরীর। প্রয়োজন একটু সতেজতা। আপনার শরীরে সেই সতেজতা এনে দিতে পারে দই চিড়া। একই সঙ্গে বাড়বে হজম প্রক্রিয়া, দূর হবে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা।

তরমুজ : তরমুজে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন এ, সি, পটাশিয়াম ও আঁশ প্রভৃতি রয়েছে। তরমুজের ৯২ শতাংশই পানি, যা আপনাকে সারাক্ষণ সতেজ রাখতে সাহায্য করে। তাই শরীরে পানির অভাব পূরণ করতে তরমুজই হলো আদর্শ খাবার। ফলটির নানা রোগ প্রতিরোধের অসাধারণ ক্ষমতাও রয়েছে।

আম : খুবই সুস্বাদু একটি ফল এটি। আমে আছে আঁশ। এই আঁশ আমাদের হজমের জন্য ভালো। তাই আম খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হবে। আম কোলস্টেরল হ্রাস করতেও সাহায্য করে। তাই ইফতারির জন্য আম খুবই ভালো।

শসা : দেহের পানিশূন্যতা দূর করে প্রাত্যহিক ভিটামিনের শূন্যতা পূরণ করে প্রতিদিন আমাদের দেহে যেসব ভিটামিনের দরকার হয়, তার বেশির ভাগই শসার মধ্যে বিদ্যমান। ভিটামিন এ, বি ও সি আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও শক্তি বাড়ায়।

পুডিং : যারা মিষ্টি খেতে পছন্দ করেন তারা মিষ্টি না খেয়ে পুডিং খাওয়া ভালো। এটি স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী।

পেঁপে : বদ হজমের রোগিদের পাকা পেঁপে খেলে খুব উপকার মিলবে। পাঁকা পেপে খেলে মুখে রুচি বাড়ে, সঙ্গে সঙ্গে খিদে বাড়ে তাছাড়া পাঁকা পেপে কোষ্ঠ পরিষ্কার করে এবং বায়ু নাস করে। এ ছাড়াও পেপে অর্শ রোগের ক্ষেত্রেও বেশ উপকারী।

কলা : কলায় ভিটামিন সি, বি-৬, পটাশিয়াম, তন্তুসহ অনেক প্রয়োজনীয় উপাদান রয়েছে। এই উপাদানগুলো শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দীর্ঘ সুস্থ জীবনযাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।