এমবাপে প্রথম বিশ্বকাপে ফাইনালে উঠেও কি খেলতে পারবেন না?

ফাইনাল ম্যাচ থেকে মাত্র এক ধাপ দূরে দাঁড়িয়ে এখন ফ্রান্স। মঙ্গলবার রাতে বেলজিয়ামকে ১-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ১৯৯৮ সালের চ্যাম্পিয়নরা। স্যামুয়েল উমতিতির গোলে ফাইনালে পা রেখেছে র‌্যাঙ্কিংয়ে সাত নম্বর পজিশনে থাকা ফ্রান্স। তবে এতো দূর পাড়ি দেওয়ার পড়ে ফ্রান্সের হয়ে সবচেয় বড় মশালটা জ্বালিয়ে গেছেন কিলিয়ান এমবাপে। রাশিয়া বিশ্বকাপে যার পারফরম্যান্সে মুগ্ধ সবাই।

কিন্তু দুঃখের বিষয় এই যে, এত পরিশ্রম করে ফাইনাল নিশ্চিত করেও ফাইনালে খেলার স্বাদ থেকে দূরে থাকতে হবে ১৯ বছর বয়সী তরুণ মেধাবী এই স্ট্রাইকারকে। গতকালের ম্যাচের আগে ম্যাচে উরুগুয়ের বিপক্ষে খেলতে গিয়ে পান প্রথম হলুদ কার্ড।

আর গতকাল পান আনাড়ির মত ব্যবহার করায়। ফাইলটা হত না যদি সময় অতিরিক্ত সময়ে কাজটা না করতে। গতকালকের ম্যাচে দেখা যায় রেফারি বাঁশি বাজানোর পরও তিনি বল নিয়ে মজা করছেন। এভাবে টিনএজার সুলভ ব্যবহারে হতাশ হয়েছেন ফ্রান্সের সিনিয়র ফুটবলার সহ বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা তার ভক্তকুল।

যাহেকা বিশ্বকাপে তারা খেলতে পারছেন এটাই শেষ কথা। ৫ ম্যাচে ৩ গোল করেছেন এমবাপে। গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে পিছিয়ে পড়লেও গোল্ডেন বল জয়েও তার দারুণ সম্ভাবনা দেখছিলেন সবাই। একবাপেকে নিয়ে এতোটাই বন্দনা চলছে যে, তাকে এবারের ব্যালন ডি’অরের দাবিদারও ভাবছেন অনেকে। তবে ফাইনারে জায়গা করে নেওয়ার পর এমবাপে বলেছেন, ব্যালন ডি’অর নয় আমার শুধু বিশ্বকাপটা চাই।

সেন্ট পিটার্সবার্গে বেলজিয়ামকে হারানোর পর এমবাপে বলেন, ‘এটা অকল্পনীয়। এটা জীবনের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন, ভবিষ্যতের স্বপ্ন এবং সবকিছু। আমার কাছে আর কোনো শব্দ নেই। এমনকি আমার বড় স্বপ্ন এভাবে ধরা দেবে তা ভাবিনি। এখনো আমি বড় স্বপ্নবাজ কিন্তু ‍এখনো একটি ধাপ বাকী।’

দলের দারুণ পারফরম্যান্স নিয়ে বলেন, ‘যখন আপনি প্রতারণা করবেন না এবং সমষ্টিগতভাবে ভালো খেলে যাবেন, আপনি তখন পুরস্কৃত হবেনই। যতো দিন সম্ভব আমি দলকে সাহায্য করতে চাই। এটাই আমার সবচেয়ে বড় বিষয়।’ ব্যালন ডি’অরের প্রশ্ন আসতেই ১৯ বছরের কিশোর বলেন, ‘আমি ব্যালন ডি’ অর নিয়ে ভাবিই না। আমি বিশ্বকাপটা চাই।’