দায়িত্ব ছাড়লেন গ্যারি কারস্টেন

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের পরামর্শক ও ভারতের বিশ্বকাপজয়ী কোচ গ্যারি কারস্টেন এতদিন কাজ করে আসছিলেন অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া টি-২০ আসরের দল হোবার্ট হ্যারিকেন্সের হয়ে। তবে সেই দায়িত্ব থেকে বুধবার স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নিয়েছেন তিনি।

দায়িত্ব ছাড়ার পেছনে তিনি দায় হিসেবে দাঁড় করিয়েছেন ‘ব্যক্তিগত কারণ’কে। তবে কী সেই ব্যক্তিগত কারণ, সেটি স্পষ্ট করেননি। কারস্টেন পদ থেকে সরে যাওয়ায় এবার নতুন একজন কোচের খোঁজে নেমেছে হোবার্ট হ্যারিকেন্স কর্তৃপক্ষ। আর সেক্ষেত্রে কোচ হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছেন দলটির সাবেক সহকারী কোচ ও অস্ট্রেলিয়ার সাবেক বোলিং কোচ অ্যাডাম গ্রিফিথ।

দায়িত্ব ছাড়া প্রসঙ্গে কারস্টেন বলেন-

‘হোবার্ট হ্যারিকেন্সের প্রধান কোচের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি কিছু ব্যক্তিগত কারণে। আমি দলের হয়ে আমার কাজ উপভোগ করছিলাম, তাই এটি একটি দুর্ভাগ্যজনক পরিণতি। দলের সাথে যুক্ত থাকা সবাইকে তাদের সমর্থন এবং কঠোর শ্রমের জন্য আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই, এবং আগামী মৌসুমের জন্য খেলোয়াড়দের জানাই শুভকামনা।’

ভারতের হয়ে ২০১১ সালে একদিনের ক্রিকেটের বিশ্বকাপ জেতেন গ্যারি কারস্টেন। তার অধীনে কোচিং করেই বিরাট কোহলি এবং মহেন্দ্র সিং ধোনিরা শচীন টেন্ডুলকারকে এনে দেন বিশ্বকাপের স্বাদ। বিশ্বকাপ জয়ের পরপরই ভারতের দায়িত্ব ছাড়েন তিনি। এরপর কাজ করেছেন নিজ দেশ দক্ষিণ আফ্রিকার জাতীয় দলের হয়েই।

সেই পদ থেকেও অব্যাহতি নেওয়ার পর ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক এবং ক্লাবভিত্তিক টি-২০ আসরগুলোতে কোচিং করছিলেন চুটিয়ে। বাংলাদেশের প্রধান কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে তার দায়িত্ব ছাড়ার পর কারস্টেনকে প্রধান কোচ করার জন্য অনেক চেষ্টা করেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। তবে নিজের ব্যস্ততার জন্য দায়িত্ব পালনে অপারগতা প্রকাশ করেন কারস্টেন।

তবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের পরামর্শকের ভূমিকায় থেকে তিনিই নির্ধারণ করে দিয়েছেন প্রধান কোচ স্টিভ রোডস এবং ফিল্ডিং কোচ রায়ান কুককে। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাথে তাই তার সম্পর্কটা একটু গভীরই।—বিডিক্রিকটাইম