বিশ্বকাপে ফ্রান্সের যত রেকর্ড

প্রায় শেষ প্রান্তে। এখন বাকি দুটি ম্যাচ। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ও ফাইনাল। সেমিফাইনালের দুই ম্যাচ হেরে বিশ্বকাপ শেষ বেলজিয়াম ও ইংল্যান্ডের। তারাই আগামীকাল শনিবার রাত ৮টায় সেন্ট পিটার্সবুর্গে নামবে তৃতীয় হওয়ার লড়াইয়ে। কাপ ছোঁয়ার লক্ষ্যে এসে তৃতীয় ও চতুর্থ হওয়া ধর্তব্য না, মর্যাদার তো নয়ই।

অন্য ম্যাচকে বলা যায় মূল ম্যাচ। ১৪ জুন যাত্রা শুরু হয়ে এ পর্যন্ত আসা তার জন্যই। প্রায় এক মাস সবুজ চত্বরে চর্মগোলক গড়াগড়ি খেয়েছে এই একটি ম্যাচের জয়ী নির্ধারণ করবে বলেই। আরও এগিয়ে চার বছর সারা বিশ্বের ফুটবল সমর্থকরা এই একটি ক্ষণের অপেক্ষা করে। কার হাতে উঠবে সোনালি ট্রফি?

সব উত্তর মিলবে ১৫ জুলাই রোববার রাত ৯টা ও এর পরবর্তী ৯০ মিনিট কিংবা তারও বেশি সময়ে, মস্কোর লুঝনিকি স্টেডিয়ামে। বিশ্ব এদিন দেখবে নতুন চ্যাম্পিয়নদের। আর তা হতে এ পর্যন্ত বন্ধুর পথ পেরিয়ে এসেছে ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়া।

এ পথে তারা অনেক রেকর্ড গড়ে এসেছে। এখানে কথা হবে ফ্রান্সকে নিয়ে। নিজেদের ফুটবল ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের হাতছানি ফ্রান্সের। ১৯৯৮-এ নিজ দেশে আয়োজিত আসরে ব্রাজিলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় তারা। এরপর ২০০৬-এর জার্মানি বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠলেও ইতালির কাছে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয় ফরাসিদের।

তৃতীয়বার বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠল ফ্রান্স। এর আগে ১৯৯৮ ও ২০০৬-এর আসরে ফাইনাল খেলে তারা। যা ইউরোপের যে কোনো দেশের তৃতীয় সর্বাধিক বার ফাইনালে খেলার রেকর্ড। ইউরোপিয়ানদের মধ্যে সর্বাধিক ৮ বার ফাইনালে খেলার নজির রয়েছে জার্মানির। আর ইতালির রয়েছে ৬ বার।

১৯৯৮-এ প্রথমবার ফাইনালে খেলে ফ্রান্স। আর বিশ্বকাপে শেষ ২০ বছরে এটি তাদের তৃতীয় ফাইনাল। বিশ্বের আর কোনো দলের এমন কৃতিত্ব নেই।