জয়ের সাক্ষী ক্রোয়েট শিশুরাও

১৯৯৮ সালে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল ক্রোয়েশিয়াকে। এরপর উল্লেখ করার মতো কোনো সফলতাই আসেনি দলটির। রাশিয়ায় সেমিফাইনাল ডিঙ্গিয়ে প্রথমবারের মতো ফাইনালের স্বাদ পাচ্ছে ক্রোয়েটরা। তাই উচ্ছ্বাসটা বেশিই ছিল ক্রোয়েশিয়ানদের। সেই বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসে বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে মদ্রিচ-রাকিটিচ-ভিদার ফুটফুটে সন্তানরা।

রাশিয়া বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালের টান টান উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচের পর এক অভূতপূর্ব দৃশ্য দেখলো বিশ্ব। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার আনন্দে মাঠে নেমে পড়লেন ক্রোয়েশিয়ান খেলোয়াড়দের সন্তানরাও। বল নিয়ে কোমলমতি শিশুদের ক্যারিকেচার লুঝনিকির গ্যালারিভর্তি দর্শকদের করেছে মুগ্ধ-উচ্ছ্বসিত।

ম্যাচ শেষে জয় উদযাপন করতে মাঠে নামা শিশুরাও দেশের জার্সি গায়ে গোলবারের দিকে ছুটে গেছে! শুধু আক্রমণ করেই ক্ষান্ত হয়নি মান্দুজুকিচের মতো জালের নিশানাও খুঁজে পেয়েছে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের খেলোয়াড়রা। লুঝনিকির মাঠভর্তি দর্শকরা উল্লাস করে শিশুদের গোল উদযাপন করেছে।