শুক্রবার বাংলাদেশ থেকেও দেখা যাবে ১০০ বছরের দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ

সুপার ব্লাড, এবং সুপার ব্লু মুনের পর এবার আরও একটি বিরল দৃশ্যের সাক্ষী থাকতে চলেছে পৃথিবী। একবিংশ শতাব্দীর দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ হতে চলেছে আগামী ২৭ জুলাই শুক্রবার। ইউরোপ, এশিয়া, আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়ার বেশিরভাগ অঞ্চল থেকে দেখা যাবে এবারের গ্রহণ।শুক্রবার পৃথিবীর সঙ্গে সূর্যের দূরত্ব হবে সর্বোচ্চ, আর চাঁদের সঙ্গে পৃথিবীর দূরত্বও হবে সর্বোচ্চ।

এবং এক্কেবারে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে এক সারিতে চলে আসবে পৃথিবী, সূর্য এবং চাঁদ। পৃথিবী সূর্যের আলোকে পুরোপুরি আড়াল করবে, ফলে পৃথিবীর ছায়াই অন্ধকার হয়ে যাবে চাঁদ। সূর্য-পৃথিবী-চাঁদ পুরোপুরি এক সারিতে চলে আসার এই ঘটনা শতাব্দীতে একবারই হয়। ফলে এই চন্দ্রগ্রহণ দীর্ঘতম হবে।

গ্রহণের আগে চাঁদের রং টকটকে লাল হবে। বিজ্ঞানীরা যাকে বলছেন ‘ডিপ রেড ব্লাড মুন।’নরওয়েভিত্তিক ওয়েবসাইট টাইম অ্যান্ড ডেট ডটকম জানাচ্ছে, শুক্রবার বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা ১৪ মিনিটে শুরু হবে আংশিক চন্দ্রগ্রহণ। চলবে রাত ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। তার পর শুরু হবে শতাব্দীর দীর্ঘতম পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ।

তা শেষ হবে রাত ৩টা ১৩ মিনিটে। এরপর আবার ৩টা ১৩ মিনিটে ফের শুরু হবে আংশিক গ্রাস, যা শেষ হবে রাত ৪টা ১৯ মিনিটে।জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বলছেন একটানা ১ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট ধরে চলবে এই গ্রহণ। উত্তর আমেরিকা মহাদেশ ছাড়া গোটা পৃথিবী থেকেই দেখা যাবে এই বিরল চন্দ্রগ্রহণের দৃশ্য।

শুধু তাই নয়, ওইদিন চাঁদের রং হতে চলেছে টকটকে লাল।বিজ্ঞানীরা আরও জানাচ্ছেন, এবারের চন্দ্রগ্রহণ হতে চলেছে প্রায় ১০৫ মিনিট ধরে। এর আগে ২০১১ সালে ১৫ জুন ১০০ মিনিট ধরে চন্দ্রগ্রহণ হয়েছিল। এই শতকের সেটাই ছিল বৃহত্তম চন্দ্রগ্রহণ। গত শতাব্দীতে অবশ্য আরও বড় চন্দ্রগ্রহণ দেখা গিয়েছিল।

১৯৮২ সালে ১০৭ মিনিটের চন্দ্রগ্রহণ হয়।