ক্ষত-বিক্ষত নুর আহমদ চৌধুরী সড়ক

মাহমুদ আল আজাদ, হাটহাজারী (চট্টগ্রাম): হাটহাজারী উপজেলার ৮নং মেখল ইউনিয়নের নুর আহমদ চৌধুরী সড়ক কয়েক বছর ধরে মেরামত না করার কারনে ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলের স্রোতে ক্ষত-বিক্ষত হয়ে পড়েছে এ সড়কটি। কয়েক বছর পূর্বে এল জি ই ডি প্রায় সাড়ে ৫ কিলোমিটার পাকা সড়ক এখন যাত্রীদের মরণ ফাঁদ হয়ে দাড়িয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সড়কটি মেরামতের কোন ব্যবস্থা না নেওয়ার কারনে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষের চরম দূর্ভোগের স্বীকার হতে হচ্ছে। গত বন্যা ও ভারী বর্ষণের ফলে ক্ষত বিক্ষত সড়ক দিয়ে বর্তমানে একটি রিক্সা পর্যন্ত চলচলের অনুপুযোগী হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা প্রতিবেদককে জানান, বিগত কয়েক বছর পূর্বে এই সড়কটি মেরামত করা হলেও কিন্তু বন্যা ও পাহাড়ী ঢলের কারনে সড়কটির বিভিন্ন স্থানের ক্ষতবিক্ষত হয়ে পড়ে। কয়েক কিলোমিটার এই সড়কটি দিয়ে আনুমানিক ৮/১০টি গ্রামের লোকজন চলাচল করে থাকেন। বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও রোগী বহনকারী গাড়ীগুলো চলাচলে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয়।

এদিকে সড়কটি আনুমানিক পাঁচ কিলোমিটার এল জি ই ডির অধিনে সড়কটি মেরামত করে বিটুমিন দিয়ে মেরামত করলেও বন্যার পানির স্রোতের তোড়ে মিটুমিন সহ তোলে নেয়। যার ফলে সড়কের চিত্র এখন ক্ষতবিক্ষত হয়ে পড়ে। উক্ত সড়ক দিয়ে প্রতিদিন ছিপাতলী,নাঙ্গলমোড়া, মির্জাপুর, মেখল এবং পৌর এলাকার মানুষও উক্ত সড়ক দিয়ে প্রয়োজনে যাতায়াত করে থাকে।

আনুমানিক ২লক্ষাধীক মানুষ বর্তমানে ঝুঁকির মধ্যে চলাচল করতে হচ্ছে। দ্রুত হাটহাজারী উপজেলা মেখল ইউনিয়নের নুর আহমদ সড়কের মেরামত কাজ শুরু করতে দাবি জানিয়েছেন এলাকার সচেতন মহল ও জনপ্রতিনিধিরা।

এদিকে এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এ সড়ক দিয়ে সুস্থ মানুষ যদি গাড়ী করে যাতায়াত করে সেও অসুস্থ হয়ে যায়। আর অসুস্থ মানুষের কথা কি আর বলার থাকে।ক্ষত বিক্ষত সড়কটি দীর্ঘদিন বৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢল এবং বন্যার পানি সহ হালদার জোয়ারের পানি গ্রামাঞ্চলের লোকালয়ে চলে আসা ও সড়কের উপর প্রবাহিত হওয়ার কারনে সড়কটির বুকে গর্তের আকার ধারন করেছে।