হিরোশিমা বিস্ফোরণ নিয়ে চমকে দেওয়া কিছু তথ্য

আজ হিরোশিমা দিবস। ১৯৪৫ সালের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ দিকের একটি দিন। জাপানের হিরোশিমা শহরে স্থানীয় সময় তখন সকাল ৮টা ১৫ মিনিট।

অনেকের ঘুম ভাঙেনি তখনও। অনেকে সবেমাত্র বেরিয়েছেন কর্মক্ষেত্রের উদ্দেশ্যে। ঠিক এ সময় আকাশ হতে আছড়ে পড়ল ‘লিটল বয়’। কেঁপে উঠল জাপান। মার্কিন যুদ্ধবিমান ‘এনোলা গে’-র শরীর থেকে আকাশ কালো করে নেমে এসেছিল সাক্ষাৎ মৃত্যু।

পারমাণবিক বোমায় লক্ষাধিক মানুষের হল সলিল সমাধি। এ বিস্ফোরণে এক লাখ ৪০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। যদিও বেসরকারি হিসেবে মৃতের সংখ্যা এই সংখ্যার আড়াই গুণ। শহরের ৯০ শতাংশ বাড়ি একেবারে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল।

জেনে নিই হিরোশিমা বিস্ফোরণ নিয়ে কিছু চমকে দেওয়া তথ্য-

লিটল বয় নামে প্রাণঘাতী নিউক্লীয় বোমাটি প্রায় ৫০০ মিটার উঁচুতে বিস্ফোরিত হয়। একসঙ্গে ঘুমের মধ্যে এত মানুষের মৃত্যুর সাক্ষাৎ পাওয়ার ইতিহাস আর নেই।

মাত্র ০.৭ গ্রাম ইউরেনিয়ামের কারণেই সবচেয়ে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয় বলে জানিয়েছিলেন বিশেষজ্ঞরা। এক ডলারের নোটের চেয়েও হালকা একটা পদার্থের কারণে এক ধাক্কায় প্রাণ হারান ৮০ হাজার মানুষ।

সেই সময় আমেরিকা যতটা ইউরেনিয়াম জোগাড় করতে পেরেছিল, তার পুরোটাই নাকি বোমা বানাতে খরচ করেছিল তারা।

জাপানের আসাহি শিমবুনের এক হিসাবে বলা হয়েছে, বোমার প্রতিক্রিয়ায় সৃষ্ট রোগসমূহের কারণে দুই শহরে চার লাখের মতো মানুষ মারা যান। এদের অধিকাংশই ছিলেন বেসামরিক নাগরিক।—যুগান্তর