দশ বছরেই চিত্র বদলেছে বাংলাদেশ: সংস্কৃতিমন্ত্রী

দশ বছরেই চিত্র বদলেছে বাংলাদেশের। ২০০৮ এর আগের বাংলাদেশ আর ২০১৮ এর বাংলাদেশের চিত্র একরকম নয়। উন্নয়নের ছোঁয়ায় পরিবর্তিত হয়েছে কী শহর কী গ্রাম। এটা সম্ভব হয়েছে একমাত্র প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সুদৃঢ় নেতৃত্বের কারণে।

সোমবার রাত সাড়ে আটটার দিকে নীলফামারী শহরের বড়মাঠে উন্নয়ন কানসার্টে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব বলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী ও নীলফামারী-০২ আসনের সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নুর।

তিনি বলেন, উত্তরাঞ্চল থেকে মঙ্গা দূর করেছেন আমাদের নেত্রী। মঙ্গা আর নেই। নীলফামারীতে মঙ্গার সময় খাদ্য অভাবে না খেয়ে মারা গেছেন একজন মুক্তিযোদ্ধাও আর এখন খাবারের অভাব নেই আমাদের।

তিনি আরও বলেন, ২০০১ সালে আমাদের ইপিজেডটি স্থাপন করেছিলেন জননেত্রী শেখ হাসিনা আর বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর সেটি বন্ধ করে দিয়েছিলো এখন শেখ হাসিনার সময়ে ইপিজেডে কাজ করে জীবীকা নির্বাহ করছেন ২৫ হাজার মানুষ। দুই বছর পর সেখানে কর্মসংস্থান হবে অন্তত ৫০ হাজার মানুষের।

কনসার্টে জেলা প্রশাসক বেগম নাজিয়া শিরিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাশার মোহাম্মদ আতিকুর রহমান বক্তব্য দেন অন্যান্যের মধ্যে।

চলমান দেশব্যাপি উন্নয়ন কনসার্টের অংশ হিসেবে সোমবার নীলফামারীতে এর আয়োজন করে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এতে সহযোগিতা করে জেলা প্রশাসন।

অর্ধলক্ষাধিক মানুষের উপস্থিতিতে সঙ্গিত পরিবেশন করেন রিংকু, পারভেজ, পিন্টু, বাপ্পা মজুমদার ও ফোক শিল্পী মমতাজ বেগম।

কনসার্ট উপলক্ষে বেলা আড়াইটা থেকে সমাগম শুরু হয় বিনোদনপিপাসুদের। বিকেলে স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনার মধ্য দিয়ে কনসার্টের আনুষ্ঠানিকতা পেলেও সন্ধ্যার আগে মঞ্চে সঙ্গীত পরিবেশন শুরু করেন আমন্ত্রিত শিল্পিরা।

কনসার্টে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রমসহ সরকারের পরিকল্পনা প্রদর্শণ করা হয় বড় পর্দায়।

রাত ১১টায় ফোক সঙ্গীতশিল্পী মমতাজ বেগমের সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় কনসার্টের আনুষ্ঠানিকতা। জনপ্রিয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে দর্শকদের মাতিয়ে তুলেন এই শিল্পী।

তথ্যসূত্র: পরিবর্তন