বন্ধুর কাটা মাথা হাতে থানায় যুবক

বন্ধুর কাটা মাথা হাতে নিয়ে থানায় এসে আত্মসমর্পণ করলেন এক যুবক। ঘটনা ভারতের কর্ণাটকের। মাকে যৌন নিগ্রহ করার কারণে বন্ধুকে হত্যা করেছেন বলে দাবি পশুপতি (২৪) নামের ওই যুবকের। খবর এনডিটিভি, হিন্দুস্তান টাইমস।

পুলিশের বরাতে হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, শনিবার পশুপতির মাকে যৌন নিগ্রহ করেন তার বন্ধু গিরিশ (২৮)। এর কিছুক্ষণ পরই সে গিরিশের মাথা কেটে সেটি হাতে ঝুলাতে ঝুলাতে থানায় হাজির হন।

মান্দ্যও জেলার পুলিশ সুপার শিভা প্রকাশ দেভারাজু জানান, পশুপতি ছিক্কাবাগিলু গ্রামে ওই যুবককে হত্যার পর তার মাথা নিয়ে মালাভাল্লি শহরে পুলিশ স্টেশনে এসে হাজির হন।

তিনি বলেন, ‘সামান্য ঝগড়ার পর বন্ধুর মাথা কেটেছে বলে জানিয়েছেন অভিযুক্ত পশুপতি।’

বন্ধুর কাটা মাথা নিয়ে পুলিশ স্টেশনে হাজির হওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, সাদা শার্ট পরা পশুপতির শরীর রক্তে ভেজা। কাটা মাথাটি তাতে ঝুলছে। মাথা দিয়ে তখনো ফোটায় ফোটায় রক্ত ঝরছে।

গত এক মাসে এ নিয়ে এ রকম তিনটি ঘটনা ঘটল কর্ণাটক রাজ্যে। গত বৃহস্পতিবারই শ্রীনিবাসপুরের বাসিন্দা আজিজ খান এক নারীর কাটা মুণ্ডু নিয়ে থানায় পৌঁছেন। জানা গেছে, ওই নারীর সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল।

গত সেপ্টেম্বরে চিকমাঙ্গালুরুর থানায় স্ত্রীর কাটা মাথা নিয়ে হাজির হন ওই ব্যক্তি। তার অভিযোগ- স্ত্রীকে অন্য এক পুরুষের সঙ্গে দেখেছিলেন তিনি। সে কারণেই শাস্তি দিতে মাথা কেটে ফেলেন তার।

কয়েক বছর আগে কলকাতা কেঁপে উঠেছিল এক বীভৎস ঘটনা দেখে। স্ত্রীর সঙ্গে অন্য পুরুষের সম্পর্ক জেনে স্ত্রীর মাথা কেটে সেই কাটা মুণ্ডু হাতে নিয়ে থানায় জমা দিয়ে এসেছিলেন এক ব্যক্তি।—সময় নিউজ