‘সহ-অধিনায়কই অধিনায়ক হয়, এটাই নিয়ম’

কয়েকদিনের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জিম্বাবুয়ে সিরিজ। যেখানে স্বাগতিকদের বিপক্ষে তিনটি ওডিআই ও দুটি টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ। এর পরপরই দুটি টেস্ট, তিনটি ওডিআই ও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে দেশে আসবে ক্যারিবিয়রা।

ব্যস্ত সূচী মাথায় রেখে বৃহস্পতিবার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের ওয়ানডে দল ঘোষণা করে বিসিবি। যাতে ইনজুরিতে পরা মাশরাফিকেই অধিনায়ক হিসেবে রাখে টিম ম্যানেজমেন্ট। তবে টি-টোয়েন্টি ও টেস্টের অধিনায়কত্ব কে করবেন তা এখনও সঠিকভাবে জানায়নি ক্রিকেট নিয়ন্ত্রণ সংস্থাটি।

বাংলাদেশের টেস্ট ও টো-টোয়েন্টির নিয়মিত অধিনায়ক সাকিব আল হাসান হাতের ইনজুরিতে পড়ে বেশ কয়েকদিনের জন্য মাঠের বাইরে থাকায় অধিনায়কত্বে অপেশাদার কাউকেই এ গুরুভার দেয়া হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এক্ষেত্রে সাইলেন্ট কিলার খ্যাত মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকেই তালিকায় এগিয়ে রাখছেন বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। কারণ এর আগেও সাকিবের অনুপস্থিতিতে এ দায়িত্বভার বহন করেছেন রিয়াদ। জানুয়ারিতে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে সাকিব চোটে পড়লে সাময়িক সমস্যার সমাধান হয়েছিল তাকে দিয়েই। এছাড়া সহ-অধিনায়কের ভূমিকায় সফলতা অর্জনের জন্যও অধিনায়কত্ব পাওয়ার দৌড়ে এক ধাপ এগিয়ে আছেন রিয়াদ।

বৃহস্পতিবার ঢাকা ক্লাবে সংবাদমাধ্যমকে নাজমুল হাসান বলেছেন, ‘সাকিব অধিনায়ক (টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি), সহ অধিনায়ক আছে মাহমুদউল্লাহ। স্বাভাবিকভাবে অধিনায়ক না থাকলে সহঅধিনায়ক অধিনায়কত্বের দায়িত্ব পালন করে থাকেন। এটাই নিয়ম। এটাই হয়ে আসছে। এখন নতুন কাউকে অধিনায়ক করলাম, সাকিব ফিট হয়ে ফিরলে সেই অধিনায়ককে বাদ দেব? একজনকে অধিনায়ক করা, আরেকজনকে বাদ দেওয়া, এটা ভালো দেখায় না। আমার মনে হয় সাকিব ফিট না হওয়া পর্যন্ত মাহমুদউল্লাহর অধিনায়কত্ব করা উচিত।’

যদি অধিনায়কত্ব দেয়া হয় তবে তার জন্য প্রস্তুত আছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। কয়েকদিন আগে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এমনটাই জানিয়েছিলেন তিনি। তখন রিয়াদ বলেছিলেন, “অধিনায়কত্ব সব সময়ই পছন্দ করি। কাজটা খুবই চ্যালেঞ্জিং। খুবই সম্মানের কাজ। এই চ্যালেঞ্জ নিতে উন্মুখ থাকি। যদি এ ধরনের সুযোগ আসে, আমি তৈরি। ”

আগে থেকেই রিয়াদের অধিনায়ক হওয়া নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছিল ক্রিকেট পাড়ায়। পাপনের বক্তব্যে এ ধারণার বিশ্বাসযোগ্যতা যেন আরও একধাপ বেড়ে গেল।এখন শুধু দেখার যে শেষ পর্যন্ত পাপনের কথাই মেনে নেয় বিসিবি’র নির্বাচকরা নাকি নতুন কোন চমক নিয়ে তারা হাজির হন সমর্থকদের সামনে।—বিডিক্রিকটাইম