ঢাকা টেস্টে নাজমুল শান্তসহ বাদ পড়তে পারেন যে ৩ টাইগার ক্রিকেটার

মিরপুরে ১১ নভেম্বর শনিবার থেকে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ বনাম জিম্বাবুয়ে দ্বিতীয় টেস্ট। আর সেই টেস্টে বাংলাদেশ একাদশে আছে মোট ৩টি পরিবর্তন। একাদশে ৩ পরিবর্তনের মধ্যে ২ পরিবর্তনই হচ্ছে বোলিং ডিপার্টমেন্টে। এটা মোটামুটি চূড়ান্ত যে শেষ টেস্টে একজন নয়, খেলবেন দুই জন পেসার। আর তিন স্পিনার থেকে একজন কমিয়েও আনা হবে। বাঁহাতি নাজমুল ইসলাম অপুকে বাইরে আনা হচ্ছে। এই বাঁহাতি স্পিনারের বদলে একজন পেসার বাড়িয়ে আরেক বাঁহাতি মোস্তাফিজুর রহমানকে খেলানোর কথা বার্তা প্রায় চূড়ান্ত।

সিলেটে টেস্ট অভিষেক হওয়া আবু জায়েদ রাহির পারফরম্যান্স তেমন আশাব্যঞ্জক ছিল না। তাই তার খেলার সম্ভাবনা কম। তাই ভেতরের খবর, রাহির বিকল্প খোঁজা হচ্ছে। সে হিসেবে আরেক তরুণ দ্রুত গতির বোলার খালেদেরও যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে। এই তরুণ ফাস্ট বোলারের অভিষেক হয়ে যেতে পারে। পাশাপাশি সুইং বোলার শফিউলও আছেন বিশেষ বিবেচনায়। রাহির বদলে খালেদ-শফিউলের কেউ একজনের খেলার সম্ভাবনাই বেশি।

এদিকে, নাজমুল হোসেন শান্ত খেলানো নিয়েও দ্বিধায় টিম ম্যানেজম্যান্ট ও নির্বাচকরা। যেহেতু দুই ওপেনার লিটন-ইমরুলের সাথে তিন নাম্বারে মুমিনুল আছেন, তাই শান্তর ওপরে খেলার জায়গা নেই। সিলেট টেস্টে রান না পেলেও ওয়ানডে সিরিজে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ইমরুল কায়েস ও লিটন দাসকে বাদ দেয়ার প্রশ্নই নেই। তামিমের ইকবালের অনুপস্থিতিতে ইমরুল-লিটনই এখন সম্ভাব্য সেরা ওপেনিং জুটি।

সাম্প্রতিক সময়ে নিজেকে খুঁজে না পেলেও মুমিনুলও তিন নাম্বারে বেস্ট চয়েজ। এই তিনজনের জায়গা নেয়ার অবস্থা এখনও শান্তর হয়নি। ওদিকে চার পাঁচে মুশফিক-মাহমুদউল্লাহর চেয়ে ভালো আর কেউ নেই এখন। শান্তকে চারে খেলাতে গিয়েই ঘটেছে বিপত্তি। সিলেট টেস্টে ছয় নাম্বারে চলে গিয়েছিলেন মুশফিক। সেটাও দলের জন্য ক্ষতির কারণ হয়েছে।

ওদিকে, শান্ত রানও করতে পারেননি (দুই ইনিংসে ৫ আর ১৩)। তাই সব বিচার বিশ্লেষণে এমন একজনকে খেলানোর কথা ভাবা হচ্ছে, যিনি মিডল অর্ডার পজিশনে অভ্যস্ত। সেটা মোহাম্মদ মিঠুন। তাই শান্তর জায়গায় ঢাকা টেস্টে মিঠুনের খেলার সম্ভাবনাই বেশি।