কোনো সংলাপ নয়, শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্যই তাদের আমন্ত্রণ জানাবেন

নির্বাচনের আগে সংলাপে ডাক পাওয়া রাজনৈতিক দলগুলো আবারো সংলাপের জন্য প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণ পাবে- এমন ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সুর পাল্টে ফেলেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

এখন তিনি বলছেন, ‘আমাদের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচন পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্যই তাদের আমন্ত্রণ জানাবেন, কোনো সংলাপ নয়।’

রোববার আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যৌথসভার শুরুতে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক জানিয়ে ছিলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দেশের সকল রাজনৈতিক দলকে সংলাপের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন ঐক্যফ্রন্ট-যুক্তফ্রন্টসহ ৭৫টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে গণভবনে সংলাপ হয়েছিল।

তিনি যোগ করে বলেন, এখন নির্বাচন শেষ হয়েছে, আমাদের নেত্রী ওয়ার্কিং কমিটিরও উপদেষ্টা পরিষদের যৌথ বৈঠকে বলেছেন যে যাদের সঙ্গে সংলাপ হয়েছে তাদেরকে আমন্ত্রণ করবেন, আহ্বান করবেন, নিমন্ত্রণ করবেন।

‘‘তাদের সঙ্গে কিছু মতবিনিময় করবেন এবং তাদের আপ্যায়নের ব্যবস্থা থাকবে। এ ব্যাপারে আমরাও সবাই একমত, যারা সংলাপ এসেছিলেন তাদেরকে নেত্রী আবারো সংলাপে আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন।”

এরপর থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গন সংলাপ ইস্যুতে মুখর। এ পরিস্থিতিতে ঐক্যফ্রন্ট কি করবে, তারা সংলাপে অংশ নিবে কিনা? এমন সব প্রশ্ন ঘুরছিলো রাজনৈতিক মহলে।

এ নিয়ে নিজেদের অবস্থান জানিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সিলেটে সোমবার সকালে বলেন, ‘এজেন্ডা বুঝে প্রধানমন্ত্রীর সংলাপে অংশগ্রহণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

এর সঙ্গে নির্বাচন নিয়ে আলোচনার শর্তও জুড়ে দেন তিনি।

বিরোধীদের এমন শর্তজুড়ে দেওয়ায় ক্ষমতাসীনরা কী ভাবছে? জানতে চাইলে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমন্ত্রণ জানানোর ভেতর সংলাপ নিয়ে কোনো বিষয় নেই। নির্বাচন নিয়ে সারা বিশ্ব কোথাও থেকে কোনো অভিযোগ আসেনি, সমস্যা নেই।

‘‘গণতান্ত্রিক বিশ্ব নির্বাচন নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলেনি। নির্বাচন নিয়ে সংলাপের দাবি হাস্যকর। আমাদের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচন পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্যই তাদের আমন্ত্রণ জানাবেন, কোনো সংলাপ নয়।’’- চ্যানেল আই অনলাইন