নিজ মেয়েকে ধর্ষন করল সাবেক সেনা কর্মকর্তা, মায়ের লোমহর্ষক বর্ননা! (ভিডিওসহ)

রাজধানীর ভিকারুনন্নিসা নূন স্কুলের ৪র্থ শ্রেণীর এক ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এমন অভিযোগ এনে বুধবার রমনা থানায় মামলা করেছে ওই ছাত্রীর মা। অভিযুক্ত ওই ছাত্রীর বাবা। এর আগে ঢাকা মেডিকেল ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে শিশুটির শারীরিক পরীক্ষা করা হয়।

শিশুটির মা জানান, হাসপাতাল থেকে ধর্ষণের প্রমাণপত্র পাওয়া গেছে। ওই প্রমাণপত্র পাওয়ার পরই মামলা করা হয়েছে। ওই শিশুটিকে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে। শিশুটি রাজধানীর একটি স্কুলে লেখাপড়া করে।

শিশুর মা অভিযোগ করে বলেন, শিশুটির বাবা সাবেক সেনা কর্মকর্তা। আড়াই বছর আগে তাদের আইনগতভাবে বিচ্ছেদ হয়ে যায়। এরপর থেকে মালিবাগ চৌধুরীপাড়ায় থাকতেন শিশুটির মা। খিলগাঁও তিলপাপাড়ায় থাকতেন বাবা সাহেদুল্লাহ। তাদের দুই সন্তান। তালাকের পর প্রায় ৬ মাস বাবার কাছে ছিল শিশু দুটি। পরে মায়ের জিম্মায় যায় তারা।

মায়ের অভিযোগ, মঙ্গলবার সকালে বাবা সাহেদুল্লাহ শিশুটিকে বাসা থেকে গাড়িতে করে স্কুলে নিয়ে যায়। পরে দুপুরে শিশুটি একাই স্কুল থেকে বাসায় আসে। সে জানায় তার পেট ব্যথা। কারণ জানতে চাইলে বাবাকে কিছু না বলার শর্তে মাকে জানায়, রাস্তায় গাড়ির মধ্যে বাবা তাকে যৌন নির্যাতন করেছে। এর আগেও বাসায় একাধিকবার শিশুটির সঙ্গে বাবা একই কাজ করেছে বলেও সে মাকে জানায়।

সাংবাদিকদের শিশুটির মা জানান, প্রাথমিকভাবে চিকিৎসকরাও জানিয়েছেন যে শিশুটি ধর্ষণের শিকার এবং এটিই প্রথমবার নয়।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত বাবা সাহেদুল্লাহ। তিনি বলেন, ‘তালাকের আগে থেকেই তাদের মায়ের সঙ্গে আমার সম্পর্কের অবনতি হয়। সে নিজেই আমাকে তালাক দেয়। তারপর থেকেই কয়েকটি থানায় আমার বিরুদ্ধে নির্যাতনের মামলা করে। থানা-পুলিশ কোনো প্রমাণ পায় না। পরে মামলা তুলে নেয়।’

এই বাবা আরও বলেন, ‘শুনেছি আমার মেয়ের শরীরে ধর্ষনের আলামত মিলেছে। কে আমার মেয়ের এমন সর্বনাশ করেছে? তার বিচার চাই। মেয়ের মা অন্য কাউকে দিয়ে খারাপ কাজ করিয়ে আমার উপর দোষ চাপাচ্ছে।’ বিষয়টি তদন্ত করে দেখতেও অনুরোধ করেন তিনি।

তবে ঢামেক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রাথমিক পরীক্ষায় শিশুটিকে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।