৬০০ গ্লাস কপালে রেখে গিনেস বুকে রেকর্ড গড়লেন নোয়াখালীর কনক

গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে জায়গা করে নিয়েছেন নোয়াখালীর তরুণ কনক কর্মকার। ছয়শো প্লাস্টিক গ্লাস কপালে রেখে ভারসাম্য রক্ষা করে এই রেকর্ড করেন তিনি। মাথায় বল ও কপালে গিটার রেখেও নতুন রেকর্ড গড়ার স্বপ্ন দেখছেন কনক।

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার গনিপুর গ্রামের ১৯ বছর বয়সী কনক কর্মকার। ছোটবেলা থেকেই ব্যতিক্রমী কিছু করার শখ। ফুটবল নিয়ে খেলতে গিয়েই আগ্রহ তৈরি হয় ভারসাম্য রক্ষায়।

একসময় বিশ্বরেকর্ডের খোঁজখবর নিতে গিয়ে জানতে পারেন, পাঁচশো প্লাস্টিক গ্লাস কপালে নিয়ে রেকর্ড রয়েছে ইতালির এক নাগরিকের। এরপর ছয়শো গ্লাস কপালে নিয়ে সেই রেকর্ড ভাঙেন কনক। সম্প্রতি যার স্বীকৃতি দিয়েছে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস।

এতেই থেমে যেতে চান না কনক কর্মকার। এর আগে রেকর্ডটি ছিল ইতালির রোকো মারকিও’র ৫শ’ গ্লাসের। নিজের এমন রেকর্ডে উচ্ছ্বসিত কনক বলেন, ‘যেকোনো কাজে লেগে থাকতে হয়। আত্মবিশ্বাস ও পরিশ্রম মানুষকে সফল করতে পারে। ৫শ’ যখন হলো ভাবলাম ৬শ’ দিয়েও আমি পারবো। অনেক চেষ্টার ফলে অবশেষে পেরেছি। এর আগে ফুটবল নিয়েও অনুশীলন করতেন তিনি। মাথায়, কপালে ও মুখে কলম নিয়ে সেই কলমের ডগায় অনেক সময় ধরে রাখতে পারতেন ফুটবল।

কিন্তু ফুটবলের কোন দিকটা নিয়ে রেকর্ড গড়ার সুযোগ আছে সেটি অজানা থাকায় সারিবদ্ধ গ্লাসে অনুশীলন করে গড়লেন এই অনন্য রেকর্ড। আগামীতে কনক ভাঙতে চান আরো কিছু ওয়ার্ল্ড রেকর্ড। কপালে ১৬ মিনিট গিটার রেখে রেকর্ড গড়ার অনুশীলনে ব্যস্ত কনক কর্মকার। এর আগে গত বছর সেপ্টেম্বরে ফুটবল নিয়ে নান্দনিক সব কসরতে চট্টগ্রামের ১৮ বছরের কিশোর আশরাফুল ইসলাম গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ডে নিজের নাম লিখিয়েছেন। গড়েছিলেন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড।

পড়ালেখার পাশাপাশি এমন রেকর্ডে খুশি পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসী। গতকাল নোয়াখালী জেলা প্রশাসক তন্ময় দাসের অফিস কক্ষে কনকের পরিবারকে আমন্ত্রণ জানিয়ে জাতীয়ভাবে প্রচার ও পৃষ্ঠপোষকতার আশ্বাস দেন জেলা প্রশাসক।