বাংলাদেশি হাফেজ আলী হাসানের বিশ্বজয়

আরেক বাংলাদেশি হাফেজ আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় কৃতিত্বের সাক্ষর রেখেছে। তার নাম আলী হাসান। কাতারের দোহায় অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় এই হাফেজ তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন। মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) এ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান হয়।অনুষ্ঠানে মিশরের শায়খ আহমদ আল মিসরয়ী, কাতারের স্থানীয় উলামায়ে কেরাম ও সরকারের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তিনি ঠাঁকুগাওয়ের হাফেজ আকমল হোসেনের ছেলে।হাফেজ আলী হাসানের শিক্ষক ও মারকাজুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার পরিচালক হাফেজ কারী নেছার আহমাদ আন নাছিরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আরেক বাংলাদেশি হাফেজ আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় কৃতিত্বের সাক্ষর রেখেছে।

তার নাম আলী হাসান। কাতারের দোহায় অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় এই হাফেজ তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন।মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) এ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান হয়।অনুষ্ঠানে মিশরের শায়খ আহমদ আল মিসরয়ী, কাতারের স্থানীয় উলামায়ে কেরাম ও সরকারের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তিনি ঠাঁকুগাওয়ের হাফেজ আকমল হোসেনের ছেলে।হাফেজ আলী হাসানের শিক্ষক ও মারকাজুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার পরিচালক হাফেজ কারী নেছার আহমাদ আন নাছিরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আরো পড়ুন: গোনাহ থেকে বাঁচতে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এই দোয়াগুলো পড়তে বলেছেন

আমরা জানি, মানুষ মাত্রই গোনাহ করে। শয়তানের ধোঁকায় এবং নফসের প্ররোচনায় মানুষ বারবার গোনাহের কাজে জড়িয়ে পড়ে। তবে গোনাহের মধ্যে অবিচল না থেকে আল্লাহর কাছে ফিরে আসা এবং তওবা করার জন্য আল্লাহতায়ালা বান্দাকে আহ্বান জানিয়েছেন। তওবা হলো: জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে জগতের সবার গোনাহ মাফের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।

গোনাহ থেকে বেঁচে থাকার জন্য সর্বদা আল্লাহতায়ালার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করতে হবে। কারণ আল্লাহতায়ালার সার্বক্ষণিক সাহায্য ও অনুগ্রহ ছাড়া কারও পক্ষে গোনাহ থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। তাই গোনাহ থেকে রক্ষা পেতে হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) কিছু দোয়া পড়ে আল্লাহতায়ালার কাছে ক্ষমা চাইতে বলেছেন। আবার মহান আল্লাহ তায়ালাও পবিত্র কোরআনে ক্ষমা পার্থনার কিছু আয়াত নাজিল করেছেন। নাযিলকৃত আয়াত ও দোয়াগুলো হলো

১/ ‘রাব্বানা লা তুযিগ কুলুবানা বা’দা ইজ হাদাইতানা ওয়াহাব লানা মিল্লাদুনকা রাহমা- ইন্নাকা আনতাল ওয়াহহাব।’ এ দোয়া বেশি বেশি পাঠ করলে দ্বীনের পথে ও হেদায়েতের ওপর টিকে থাকা সহজ হয়। দোয়াটি পবিত্র কোরআনের একটি আয়াত। যা সূরা আল ইমরানের ৮ নম্বর আয়াতে বর্ণিত হয়েছে। অর্থ: হে আমাদের প্রতিপালক! হেদায়েত প্রদান করার পর আপনি আমাদের অন্তঃকরণকে বক্র করবেন না এবং আপনার নিকট থেকে আমাদেরকে অনুগ্রহ দান করুন! নিশ্চয়ই আপনি সবকিছুর দাতা।

২/ ‘ইয়া মুকাল্লিবাল কুলুব- সাব্বিত কালবি আলা দিনিক।’ এই দোয়াটি পবিত্র হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। উম্মত জননী হজরত উম্মে সালমা (রা.) বলেন, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বেশিরভাগ সময়ে এই দোয়াটি পাঠ করতেন। এটা রাসূলের শিখানো দোয়া বিশেষ। অর্থ: হে অন্তরসমূহের ওলট-পালটকারী! আমার অন্তরকে আপনার দ্বীনের ওপর অবিচল রাখুন। -তিরমিজি

৩/ হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) এই দোয়াটি বেশি বেশি পাঠ করতেন- ‘আল্লাহুম্মা মুসাররিফাল কুলুব সাররিফ কুলুবানা আলা ত-আতিক।’ অর্থ: হে আল্লাহ! (আপনি) হৃদয়সমূহের পরিবর্তনকারী! আমাদের হৃদয়গুলোকে আপনার আনুগত্যের দিকে ঘুরিয়ে দিন। -সহিহ মুসলিম

৪/ হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) এ‌ই দোয়াটিও করতেন— ‘আল্লাহুম্ম ইন্নী আসআলুকাল হুদা ওয়াততুকা ওয়াল আফাফা ওয়াল গিনা।’ অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে হেদায়েদত, তাকওয়া, সচ্চরিত্রতা ও প্রাচুর্য্যতার প্রার্থনা করছি। -সহিহ মুসলিম আল্লাহতায়ালা আমাদের সবাইকে সব ধরনের গোনাহ থেকে বেঁচে থাকার তওফিক দান করুন। আমিন।