তাসকিনের কান্না ছুঁয়ে গেছে মুস্তাফিজকে

গত বিশ্বকাপে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ উইকেট শিকার করেছিলেন তরুণ স্পিডস্টার তাসকিন আহমেদ। এবারও তার বিশ্বকাপ বলতে গেলে নিশ্চিত ছিল। কিন্তু বাদ সাধল ভাগ্য। সর্বশেষ বিপিএলে দুর্দান্ত বোলিং করা তাসকিন শেষ মুহুর্তে চোটে পড়েন।

সেই চোট থেকে মাঠে ফিরে ফিটনেস দিয়ে নির্বাচকদের সন্তুষ্ট করতে পারেননি তিনি। তাই তাসকিন বাদ, সুযোগ হয়ে গেল এখনও ওয়ানডে অভিষেক না হওয়া পেসার আবু জায়েদ রাহীর।

গতকাল মঙ্গলবার দল ঘোষণার পর মিডিয়ার কাছে শুনে কান্না ভেঙে পড়েন তাসকিন। তার সেই কান্নার ভিডিও দেখে আবেগাপ্লুত হয়েছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। তাদের যুক্তি, বিশ্বকাপের আরও দেড় মাস বাকী। এর মধ্যে তাসকিন নিশ্চয়ই আরও ফিট হয়ে যেতেন। আবার কেউ মাশরাফি বিন মুর্তজার সঙ্গে তাকে মেলাচ্ছেন।

তাসকিনের মতোই প্রায় ফিট থেকেও ঘরের মাঠে ২০১১ বিশ্বকাপে সুযোগ না পেয়ে কেঁদেছিলেন ম্যাশ। তাসকিনের এই কান্না ছুঁয়ে গেছে তার জাতীয় দলের সতীর্থ ‘কাটার মাস্টার’ খ্যাত মুস্তাফিজুর রহমানকে।

প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পাওয়া এই পেস তারকা আজ বুধবার সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘অবশ্যই ওর জন্য খুব খারাপ লাগছে। আসলে খারাপ তো সবারই লাগছে, শুধু আমার নয়। সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা নেই…. কী আর বলব?’

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৪ মাস আগে অভিষেক হলেই ২০১৫ বিশ্বকাপ খেলতে পারতেন মুস্তাফিজ। কিন্তু এসব নিয়ে মোটেও আফসোস নেই তার। ঘুরে ফিরে এল তাসকিন প্রসঙ্গ, ‘আল্লাহ যা করেন, ভালোর জন্য করেন। গত বিশ্বকাপে আমাদের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি বোলার ছিল তাসকিন, সে এবার বিশ্বকাপ দলে নেই। আবার গত বিশ্বকাপে আমার কোনো খোঁজ ছিল না, সেই আমি খেলতে যাচ্ছি এবারের বিশ্বকাপ। নিয়তির খেলা বোঝা কঠিন!’

ইংল্যন্ড বিশ্বকাপে নিজের লক্ষ্য নিয়ে মুস্তাফিজ বলেন, ‘সব সময়ই দায়িত্ব বেশি ছিল। সবাই আমার কাছে আশা করে বলেই দায়িত্ব বেশি। সবাই যেহেতু আশা করে থাকে, নিজের সেরাটা কীভাবে দেওয়া যায়, সেটাই চেষ্টা করি। বিশ্বকাপের আগে চারটা ম্যাচে আছে আয়ারল্যান্ডে। ওটাই আগে ভাবা উচিত। ওখানে ভালো করতে পারলে বিশ্বকাপে ভালো করার আত্মবিশ্বাস পাওয়া যাবে। গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্টে চোটে যেন না পড়ি, সতর্ক থাকতেই হবে।’-কালের কণ্ঠ অনলাইন