এমপির নেতৃত্বে পার্কে অভিযান, পুলিশে দেয়া হলো শিক্ষার্থীদের

স্কুল-কলেজ ফাঁকি দিয়ে পার্কে আড্ডা দিচ্ছিলো ছেলে-মেয়েরা। হঠাতই সেখানে পুলিশ নিয়ে হাজির হন নোয়াখালী-৪ আসনের এমপি একরামুল করিম চৌধুরী। ক্লাস ফাঁকি দিয়ে আড্ডা দেয়ায় শিক্ষার্থীদের পুলিশে দেন তিনি। আজ নোয়াখালীতে এ ঘটনা ঘটে। তবে কোন পার্কে অভিযান চালানো হয়েছে সেটি জানা যায়নি। অভিযানের পর নিজের ফেসবুক আইডিতে ছবিসহ স্ট্যাটাস দেন এমপি। সেই স্ট্যাটাসে তিনি অভিভাবকদের আরো সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানান।

স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, অভিভাবকদের বলছি আপনার সন্তানের খোঁজ খবর নিন। স্কুল-কলেজ চলাকালীন সময়ে ক্লাস ফাঁকি দিয়ে পার্কে ঘুরাঘুরি করছে কিনা খবর নিন। কোথায় যাচ্ছে লেখাপড়ায় করছে কিনা খেয়াল রাখুন। স্পষ্টভাবে বলছি, স্কুল কলেজ চলাকালীন সময়ে কোনো শিক্ষার্থী পার্কে ঘুরাঘুরি করলে পুলিশ থানায় ধরে নিয়ে শাস্তি প্রদান করবে। আজকে স্কুল-কলেজ চলাকালীন সময়ে পার্কে শিক্ষার্থীরা আড্ডা দিচ্ছে দেখে পুলিশ থানায় নিয়ে গেছে।

আমি পুলিশকে বলে দিয়েছি ওদের অভিভাবকরা থানায় আসলে তাদের দায়িত্বে ওদের সর্তক করে ছেড়ে দিবে। আশাকরি এই ধরনের ঘটনা পুনরায় না হউক। এ ঘটনা ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঝড় তুলেছে। ফেসবুক ব্যবহারকারীরা প্রশংসা করছেন এমপি একরামুলের। পাশাপাশি স্ট্যাটাসে ছবি ব্যবহার করায় কেউ কেউ আবার সমালোচনাও করছেন। এমপি একরামুলের ফেসবুক আইডিতে গিয়ে দেখা যায়, ৫ ঘণ্টা আগে তিনি স্ট্যাটাসটি দেন। এর মধ্যে স্ট্যাটাসটি শেয়ার হয়েছে ১ হাজার ৮০০ বারের বেশি। কমেন্টস করেছেন ১ হাজার ৭০০ জন।

রাজু ম্যাক্স নামে একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী বলেন, শাসনটা একদম ঠিক আছে। ছবি তুলে ফেসবুকে দেওয়া, সরাসরি থানায় পাঠানো ব্যাপারটা হিতে বিপরীত হতে পারে৷ ছবি তুলে ফেসবুকে দিছেন এক শ্রেণীর মানুষ আছে এই ছবিগুলা দিয়া তাদেরকে ট্রোল করবে। তখন কোনো ছেলেমেয়ে কোনো অঘটন ঘটালে এই দায়ভার কে নিবে। তাই শাসন করেন থানায়ও পাঠান পরিবারকেও জানান কিন্তু ছবি তুলে ফেসবুকে দেবার দরকার নাই।

প্রদীপ সাহা লেখেন, প্রতিটি ক্ষেত্রে আপনার পদচারণায় আমরা মুগ্ধ। আপনার জন্য অনেক শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও শুভ কামনা রইলো। এমপি মহোদয়ের নিকট বিনীত নিবেদন, এসব অনিয়ম আরো কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করুন। নোয়াখালীবাসী সারাজীবন কৃতজ্ঞতার সাথে আপনাকে স্মরণ করবে।

সূত্র: যমুনা টিভি।