আম্পায়ারিং নিয়ে যা বললেন উইলিয়ামসন

শিরোপার স্বাদ কেমন, তা জানা ছিলো না দুই দলের কারোরই। এর আগে তিনবার ফাইনাল খেলেও ট্রফিতে চুমু খাওয়া হয়নি ইংল্যান্ডের। অন্যদিকে বিশ্বকাপের গত আসরে ঘরের মাঠে হওয়া টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলেও, চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি নিউজিল্যান্ড।এবারের বিশ্বকাপে ৬ বার ৩০০+ রান করা ইংলিশদের সামনে মাত্র ২৪১ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়ে কাঁপিয়ে দিয়েছিল কেন উইলিয়ামসনের দল।

কিন্তু ইংল্যান্ডের যখন ১০ বলে ২২ রান লাগে তখন প্লাংকেট ১০ রানে আউট। পরের বলেই স্টোকস ছক্কা হাঁকিয়ে আবার জয়ের আশা জাগায়। নিশাম তার লাস্ট ওভারে আর্চারকে আউট করে ইংল্যান্ডকে আবারও বিপদে পরে।পরে শেষ ওভারে চরম নাটিকয়তায় বিশ্বকাপ ২০১৯ এর ফাইনাল সুপার ওভারে গড়িয়েছে। শেষ ওভারে ১৫ রান প্রয়োজন ছিল ইংল্যান্ডের। পরে ইংল্যান্ড ১৪ রান নিয়ে ম্যাচ টাই করে।

ইতিহাসের সর্বকালের সেরা ফাইনাল ম্যাচ শেষে বিতর্ক যেন থামছেই না। ১০০ ওভার ও সুপার ওভারে দুই দফা টাই হওয়া ম্যাচে ইংল্যান্ড জয়ী হয়েছে বাউন্ডারির হিসেব কষে। তবে ম্যাচ শেষে জানা যায়, আম্পায়ারদের ভুলে ইংল্যান্ড ইনিংসে ১ রান বেশি পেয়ে যায় যা দলটির শিরোপা-ভাগ্য গড়ে দেয়।এবার নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন জানিয়েছেন, ঐ মুহূর্তে তিনি ঐ নিয়ম সম্পর্কে জানতেনই না। আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে সম্মান জানিয়ে সেই সময়ে এ নিয়ে মাথাও ঘামাননি টানা দুবার রানার্সআপ হওয়া দলটির অধিনায়ক।

বিতর্কিত সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে তখন খুব একটা ভাবেননি উইলিয়ামসনও। তিনি বলেন, ‘আমি আসলে সেই সময় নিয়মটা সম্পর্কেই জানতাম না। অবশ্যই আপনাকে আম্পায়ারের ভূমিকার উপর বিশ্বাস রাখতে হবে। আপনি অন্য একশটি থ্রোয়ের মতই ছুঁড়ে দিলেন, কিন্তু এটা এমনভাবে ঘটল যা আমরা কখনোই হয়ত ভাবিনি।’ম্যাচের শেষ ওভার জন্ম দেয় দারুণ নাটকীয়তার। ঐ ওভারের (যে ওভারে প্রয়োজন ছিল ১৫ রান) চতুর্থ বলে স্টোকস পড়িমরি করে নেন ২ রান।

রানআউট করতে গিয়ে ওভারথ্রো হয়ে যায় মার্টিন গাপটিলের ছুঁড়ে মারা বল, ফলাফল অতিরিক্ত ৪ রান। ওভারথ্রো হয় মূলত নন স্ট্রাইকিং প্রান্তে ছুটতে থাকা বেন স্টোকসের ব্যাটে লেগে।ওভারথ্রো থেকে পাওয়া ৪ রানের সাথে স্কোর বোর্ডে যুক্ত হয় স্টোকসের দৌড়ে নেওয়া ২ রানও। তবে টফেলের দাবি, নন স্ট্রাইকিং প্রান্তে নিরাপদে পৌঁছোবার আগেই স্টোকসের ব্যাট ছোঁয়ায় এখানে একটি রান যোগ হওয়ার কথা ছিল। সাথে ওভারথ্রোতে সীমানা ছাড়া বল হিসেব করলে মোট রান দাঁড়ায় ৫। সেক্ষেত্রে ইংল্যান্ডের দলীয় সংগ্রহ দাঁড়াত ২৪০- নিউজিল্যান্ডের চেয়ে ১ রান কম!