ডাগ আউট থেকে মাঠে ঢুকলেন ‘মেসি’

মেসি বিক্রি হলো ২৮ লাখ টাকায়, বসের দাম ৩৭ লাখ। টাইসন, টাইটানিকও ৩০ লাখের উপর। কি ভাবছেন? তারকাদের দরদাম করছি? মোটেই না। এ তালিকা কুরবানীর উদ্দেশে বিক্রি হওয়া একেকটি গরুর দামের। নাম আর দামের মতো বিশালাকারের গরুগুলোর চলাফেরাও বেশ রাজসিক। এ বছর গরুর দাম নিয়ে সন্তুষ্ট খামারিরা। যদিও দীর্ঘমেয়াদী সরকারি নীতির অভাবে গরুর খামার করতে আগ্রহ হারাচ্ছেন অনেকেই, এমন মতও দিলেন তারা।

এ যেন ডাগআউট থেকে মাঠে ঢোঁকার দৃশ্য। হেলেদুলে খোঁয়াড়ের বাইরে এলো, এবার ঢাকার কোরবানী হাটের অন্যতম আকর্ষণ মেসি। এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আর্জেন্টিনা তো যেতে পারবো না তাই এখানে আসছি ‘মেসি’কে দেখতে।’ অলস বসে ঝিম ধরা শরীর ঝালিয়ে নেয়ার ইচ্ছে হলো বসেরও। নামের মতো চলাফেরাতে বেশ রাজসিক ভাব রয়েছে তারও। একটু পরেই চোঁখ কপালে ওঠার দশা, নিজ থেকেই বডি মাসাজ করতে শুরু করলো গরুটি। কোরবানির হাটে মেসি আর টাইসন।

কি খটকা লাগছে। ভাবছেন বক্সিং, ফুটবল ছেড়ে এরা মাঠে কি করছে। একটু গা ঝাড়া দিয়ে বসুন। তারকা ফুটবলারদের কথা নয় বলছি বিশাল আকারের গরুর কথা। দল বদলের বার্ষিক বাজারে তারা যেমন অমূল্য রতন। ঠিক কোরবানি এলেই এই গরুগুলোর দাম হয়ে যায় অনেক চড়া। এক জনের নাম সুন্দরী, ওজন সাড়ে নয়শ কেজি। দাম প্রায় দশ লাখ টাকা। মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যানের এই খামারে একই আকারের গরু রয়েছে প্রায় শতাধিক।

বিক্রিও হয়ে গেছে যার অধিকাংশই। শহুরে বাসাবাড়িতে স্থান সংকটের কারনে বেশিরভাগ ক্রেতা ই গরু কিনে রেখে যাচ্ছেন খামারে। চলতি বছর বড় আকারের গরুর ভালো দাম পেয়েছেন খামারিরা। যদিও স্পষ্ট সরকারি নীতির অভাবে গরু পালনে উৎসাহ কমছে বলেও দাবি তাদের। মাত্র দুই থেকে তিন বছরেই বিদেশি জাতের এসব গরুর ওজন দাঁড়ায় ৩০ থেকে ৪০ মণে।

খামার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি গরুর স্বাস্থ্য আর শারীরীক অবস্থার সবশেষ অবস্থা সম্পর্কে ক্রেতাদের জানাতে তৈরি করা হয়েছে ডিজিটাল তথ্য ভান্ডার, যা সার্বক্ষণিক তদারকি করছে অস্থায়ী মেডিকেল টিম।-সময় নিউজ।