এশিয়া কাপেও ভারতের নিদাহাস ট্রফি ফর্মুলা?

এশিয়া কাপের মধ্য দিয়ে ভারতের দুই তারকা ক্রিকেটার এমএস ধোনি ও রোহিত শর্মা সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ফিরবেন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের পর বেশ কিছুদিন খেলার বাইরে থাকা এই দুই ক্রিকেটারকে এশিয়া কাপে ক্লান্তিমুক্ত অবস্থায় পেতে যাচ্ছে ভারত।

ফলে দল নির্বাচনের ক্ষেত্রে পরীক্ষা নিরীক্ষা করলেও টুর্নামেন্টে ভারতীয় দলের শক্তি হারাবে না। ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া এশিয়া কাপে ভারতের বেশ কয়েকজন ফ্রন্ট লাইন ক্রিকেটারকে বিশ্রাম দেয়ার কথা শোনা যাচ্ছে।

এদের মধ্যে তিন ফরম্যাটের কাপ্তান ভিরাট কোহলির নাম বেশ উচ্চারিত হচ্ছে। ইংল্যান্ডে পাঁচ ম্যাচের টেস্ট সিরিজের ধকল ও কোহলির পিঠের ইনজুরি ইস্যু মাথায় রাখতে হচ্ছে নির্বাচকদের। টানা ক্রিকেটে ক্লান্ত কোহলি ভারতীয় দলে না থাকলে টুর্নামেন্টের রং হারাবে বৈকি।

কিন্তু বছরের শেষে অস্ট্রেলিয়া সফর ও ২০১৯ বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে কোহলিকে এশিয়া কাপ থেকে বিশ্রাম দেয়া পক্ষে শক্তিশালী যুক্তি দাঁড় করানো যায়। সেক্ষেত্রে অধিনায়ক কোহলির ডেপুটি রোহিত শর্মাকে ভারতীয় দলের নেতৃত্বে দেখা যেতে পারে, যেমনটা দেখা গেছে শ্রীলঙ্কার নিদাহাস ট্রফিতে।

তবে কোহলির এশিয়া কাপ খেলা নিয়ে শঙ্কা থাকলেও তারকা পেসার ভুবনেশ্বর কুমারের দলে ফেরা প্রায় নিশ্চিত। ইনজুরির কারনে ইংল্যান্ড সিরিজে খেলতে না পারলেও এশিয়া কাপে থাকছেন তিনি। ইতিমধ্যে ভারত ‘এ’ দলের হয়ে খেলছেন তিনি।

ভুবনেশ্বর দলে ফিরলে আরেক ফ্রন্ট লাইন পেসার জাসপ্রিত বুমরাহকে বিশ্রাম দেয়ার বিলাসিতা করতে পারে ভারত। এদিকে ওয়ানডে ও টি-টুয়েন্টিতে ফর্মে না থাকায় বিবেচনার বাইরে রাখা হতে পারে সুরেশ রায়নাকে।

মিডেল অর্ডারে তার শুন্যতা পূরণে দলে ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে কেদার জাদব ও আম্বাতি রাইডুর। এছাড়া দুই উইকেট কিপার ব্যাটসম্যান দীনেশ কার্ত্তিক ও রিশাভ পান্তের যে কোন একজনকে বেঁছে নিতে হবে নির্বাচকদের। আর পেস বোলিং বিভাগে মোহাম্মদ সিরাজ ও সিদ্ধার্থ কউলের মধ্যে কে জায়গা ধরে রাখে সেটাই দেখার বিষয়।