এবারের মত পার পেয়ে যাচ্ছেন নাসির?

আজ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ডিসিপ্লিনারি কমিটিতে তলব করা হয়েছে সাব্বির রহমান, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত এবং নাসির হোসেনকে। আজকের এই সভা শেষেই মূলত চূড়ান্তভাবে জানা যাবে তাদের কপালে কি আছে।

যদিও তার আগেই একটি ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন ডিসিপ্লিনারি কমিটির সদস্য এবং মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস। তিনি জানিয়েছেন এবারের মতো হয়তো পার পেয়ে যাবেন নাসির এবং মোসাদ্দেক। তাঁর মতে পায়ের অপারেশনের পর বর্তমানে বিশ্রামে থাকা নাসিরকে বহিষ্কার করার ব্যাপারটি যুক্তিসঙ্গত হবে না বিধায় তাকে ছাড় দেয়া হতে পারে। জালাল ইউনুস বলেন,

‘নাসির এখন তার অপারেশনের পর ঘরে বিশ্রামে। আর আর নাসিরের ব্যাপারে কথা হলো, যেহেতু সে আপাতত খেলার অবস্থায় নেই তাই তাকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করাটাও অযৌক্তিক,’ বলছিলেন মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান।

অপরদিকে নাসিরের পাশাপাশি ছাড় পেতে যাচ্ছেন অলরাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেনও। কেননা তাঁর বিরুদ্ধে স্ত্রীর করা অভিযোগের ব্যাপারে আদালতই একমাত্র ব্যবস্থা নিতে পারবে। এক্ষেত্রে বিসিবির করার কিছু নেই বিধায় তাকে শাস্তি দেয়ার কথা এখনই ভাবছে না বোর্ড বলে জানিয়েছেন জালাল ইউনুস,

‘মোসাদ্দেকের বিরুদ্ধে তার স্ত্রীর করা নারী নির্যাতনের মামলাটি আদালতে। আদালতে গড়ানো কোনো বিষয় নিয়ে কথা বলার অবকাশ নেই। আদালতই সিদ্ধান্ত দেবেন মোসাদ্দেক দোষী না নির্দোষ। আইনের চোখে দোষী সাব্যস্ত হলে মোসাদ্দেককে অবশ্যই শাস্তি দেবে বিসিবি। তবে সেটা এখন নয়। তার বিষয়ে আদালত কী সিদ্ধান্ত দেন তার উপরে নির্ভর করবে আমাদের (বোর্ডের) সিদ্ধান্ত।’

তবে রেহাই পাচ্ছেন না একের পর এক বিতর্কে জড়ানো সাব্বির রহমান। এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছেন অনেক ক্রিকেট ভক্তই। বিসিবিও এবার যে সেই পথেই হাঁটতে যাচ্ছে তা অনেকটাই অনুমেয় বলা চলে। ডিসিপ্লিনারি কমিটির সদস্য জালাল ইউনুস নিজেও স্বীকার করেছেন বিষয়টি। । সাব্বিরকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য জাতীয় দলের বাইরে রাখার পরিকল্পনা করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেছেন,

‘তাকে (সাব্বিরকে) এর আগে ঘরোয়া ক্রিকেটে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল পাশাপাশি অর্থ দন্ডেও দন্ডিত করা হয়েছিল। কিন্তু তারপরেও আচরণে বড় কোনো পরিবর্তন আসেনি। আবারো তার বিরুদ্ধে বলগাহীন ও শৃঙ্খলাবিরোধী আচরণের অভিযোগ। তাই আমরা তাকে একটা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ক্রিকেটের বাইরে রাখার চিন্তাভাবনা করছি।’

সূত্র- মানবজমিন