রশিদ খানকে ভয় পাওয়ার কিছু নেই বললেন কোচ এবং অধিনায়ক

আফগানিস্তানের বিপক্ষে গত মে মাসে ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে হোয়াইট ওয়াশ হয়েছিল বাংলাদেশ দল। ওই সিরিজে আফগানিস্তানের জয়ের নায়ক ছিল রাশিদ খান। সিরিজে তিন ম্যাচে মাত্র চার (৪.৪৫) ইকোনমিতে ৮ উইকেট নিয়েছিলেন রশিদ। তবে আসন্ন এশিয়া কাপে আর রশিদ খানকে ভয় পাচ্ছে না বাংলাদেশ দল।

আজ এমনটাই জানালেন দলের কোচ স্টিভ রোডস ও অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। অধিনায়কের মতে এবারের ফরম্যাটটি ওয়ানডে হওয়ায় রশিদ খানের বিপক্ষে আরও সময় পাওয়া যাবে। যার ফলে টি-টোয়েন্টির মতো অতোটা ভয়ঙ্কর হতে পারবেন না তিনি।

মাশরাফি বলেন, ‘রশিদ খান বিশ্বমানের স্পিনার। তবে আমি মনে করে টি-টোয়েন্টিতে আমাদের বিপক্ষে তার সফল হওয়ার কারণ ছিল ২০ ওভারের খেলায় রানের তাড়া ও শটস খেলার তাগাদা থাকে। তবে ওয়ানডেতে এটা থাকে না। দুই-তিন ওভার দেখেও খেলা যায়। তবু সে বিশ্বমানের স্পিনার। তার গুগলি ও রংআন পিক করাই বড় চ্যালেঞ্জ। তবে আমরা বিশ্বাস করি যদি শ্রীলঙ্কার সাথে জয় দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করি তাহলে রশিদ খানের বিপক্ষে ভালো খেলার বিশেষ সাহস পাব।’

এশিয়া কাপের প্রতিটি দলের স্কোয়াডে রয়েছে একাধিক লেগ স্পিনার। ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা এবং আফগানিস্তান দলে রয়েছেন লেগ স্পিনার। নিজ দলে একজনও লেগস্পিনার না থাকার আক্ষেপ শোনা যায় কোচের কণ্ঠেও। তিনি বলেন,‘এটা সত্যি যে আমাদের কোন লেগস্পিনার নেই। তবে আমি বা আমরা খুব করে একজন লেগস্পিনার ও একজন বাঁহাতি চায়নাম্যান বোলার চাই। আমি খোঁজ নিয়ে জেনেছি অনুর্ধ্ব-১৩ থেকে অনুর্ধ্ব-১৭’তে ১২-১৩ জন লেগস্পিনার গড়ে উঠছে। এটা ভালো সংবাদ। তবে এই মুহূর্তে একজন লেগস্পিনার খুব দরকার ছিল।’

আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৩-০’তে টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারা কি ভয়ের কারণ কি-না? এমন প্রশ্নের জবাবে রোডসের উত্তর, ‘না। তবে আমি দল হিসেবে আফগানিস্তানকে শ্রদ্ধা করি। সীমিত ওভারে তারা সমীহ করার মতো দল। আমার নিজ দলের ক্ষেত্রেও তাই। আমরাও আফগানদের কাছ থেকে পূর্ণ শ্রদ্ধা পাওয়ার যোগ্যতা রাখি। আমি বিশ্বাস করি তারাও আমাদের সমীহ করেই খেলবে।’