ক্রিকেটারদের সংসার জীবন নিয়ে যা বললেন মাশরাফি

বাংলাদেশ ওয়ানডে ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মাশরাফি মুর্তজা ২০০৬ সালের ৭ সেপ্টেম্বর নিজ জেলা নড়াইলের মেয়ে সুমনা হক সুমির সঙ্গে জীবনের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের এই সফল অধিনায়ক ও সুমনার দম্পতি দেখতে দেখতে এরই মধ্যে দাম্পত্য জীবনের ১২টি বছর কেটে গেছে।

বর্তমান সময়ের বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ক্রিকেটারদের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ, একাধিক বিবাহের মতো ঘটনাগুলো বলা যায় এক প্রকার সাধারণ ঘটনার রূপ ধারণ করছে।
সেখানে মাশরাফি ও সুমনা জুটি একসঙ্গে জীবনের দ্বিতীয় ইনিংসের এক যুগ কাটিয়ে দেয়ার পর ১৩তম বিবাহবার্ষিকী পালনের অপেক্ষায় তারা দু’জন।

সাম্প্রতিক সময়ে ক্রিকেটারদের নামে যখন একের পর এক নারী ঘটিত বিষয়ে একাধিক অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে সেখানে মাশরাফি দম্পত্তি একেবারে সুখী যুগল। তাদের একে অন্যের প্রতি নেই কোনো ধরনের অভিযোগ।

এদিকে, আসন্ন এশিয়া কাপের আগে অনুশীলনের শেষ দিনে বাংলাদেশ ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি যখন সাংবাদিকদের মুখোমুখি তখন এক সাংবাদিক খেলার বাইরে গিয়ে জিজ্ঞাসা করে বসেন কিভাবে বিনি সুতোয় গেঁথে রেখেছেন আপন মানুষদের?

যেখানে একটু তারকা খ্যাতি পেলেই অনেক তরুণ খেলোয়াড়ের না কি মাথা ঘুরে যায়, তিনি কিভাবে মাথাটা ঠিক রেখেছেন? ক্রিকেটের সঙ্গে সংসারটা কীভাবে সমান্তরালে সামলে চলেছেন?
ওই সাংবাদিকের এমন প্রশ্নে নড়াইল এক্সপ্রেস মাশরাফির সহজ স্বীকারোক্তি। ক্রিকেটারদের সংসার সামলানো চাকরিজীবীদের চেয়ে আরও সহজ জানিয়ে মাশরাফি বলেন, ‘ক্রিকেটের সঙ্গে সংসার আসলে যারা চাকরি করছে তারাও তো সংসার করছে। এখানে কঠিন কিছু নেই। পুরোটাই একজন আরেকজনের সঙ্গে বোঝাপড়ার বিষয়। আমার তো মনে হয় চাকরিজীবীদের থেকে ক্রিকেটারদের সংসার করাটা আরও সহজ। বরং চাকরিজীবীদের সংসার সামলানো কঠিন।’

চাকরিজীবীদের থেকে কিছু ক্ষেত্রে যে ক্রিকেটারদের সুবিধা থাকে সেটিও বলতে ভুল করেননি টাইগার অধিনায়ক। ক্রিকেটারদের পরিবার সাথে নিয়ে বিভিন্ন সফরে যাওয়ার সুযোগের কথা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘আমাদের অফুরন্ত গ্যাপ থাকে, সুযোগ থাকে পরিবার নিয়ে সফর করার। এটা একজন চাকরিজীবী বা অন্যান্য পেশায় তা থাকে না। এটা (সফর) যুগলদের জন্য আরও ইন্টারেস্টিং, স্পোর্টস আসলে বন্ডিংটা আরও শক্ত করে।’

তথ্যসূত্র: বিডি২৪লাইভ