‘শেখ হাসিনার অ্যাকশন শুরু হয়ে গেছে’: ওবায়দুল কাদের

শনিবার সন্ধ্যায় দিনাজপুরের বিরামপুরে পথসভায় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি আন্দোলন করতে পারে না।কোটা আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর ভর করে ব্যর্থ বিএনপি। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শুধু ঈদের পর আন্দোলনের হুমকি দেন। ১০ বছরে তো ২০টা ঈদ গেল, বিএনপি আন্দোলন করবে কখন?

ওবায়দুল কাদের বলেন, পঞ্চগড় ও দিনাজপুরের সড়ক ফোর লেন হবে। চালু হবে বুলেট ট্রেন। শতভাগ বিদ্যুতের আওতায় আসবে দেশ। ঘরে ঘরে পৌঁছে যাবে বিদ্যুৎ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ যুগ ডিজিটাল যুগ। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্থল, সমুদ্রের পর মহাকাশ বিজয় হয়েছে। আগামী নির্বাচনে শেখ হাসিনার মূলশক্তি তরুণ-তরুণী।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, লন্ডনে বসে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে দলটি এখন নেমেছে ফেসবুকে গুজব ষড়যন্ত্রে। বিএনপির কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করা হবে।

আগামী সংসদ নির্বাচনে দলের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, সব মনোনয়নপ্রত্যাশীর এসিআর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে। শেখ হাসিনার গুড বুকে যে ১ নম্বরে থাকবেন, তিনিই মনোনয়ন পাবেন।

বিরামপুরে হাজারো মানুষের উপস্থিতি দেখে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘শুধু নেতাদের আসার কারণে বিরামপুরের জনসভা জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে। যদি শেখ হাসিনা আসেন তবে তো এখানে মহা জনসমুদ্রে পরিণত হবে। এতে প্রমাণিত হয় আওয়ামী লীগের ওপর জনগণের আস্থা কতটা বেড়েছে।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নারীদের একমাত্র শেখ হাসিনাই সম্মান দিয়েছেন। আশা করি নারীরা আগামী নির্বাচনে এর প্রতিদান দেবেন।’ দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ‘রাজনীতিতে মানুষের ভালোবাসা বড় সম্পদ। ক্ষমতার দাপট দেখাবেন না। শেখ হাসিনার অ্যাকশন শুরু হয়ে গেছে। যাঁরা এমপিদের অবাঞ্ছিত করছেন তাঁদের কাছে যেমন জবাব চাওয়া হবে, তেমনি যেসব এমপি দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে দূরত্ব বাড়িয়েছেন, তাঁদের কাছেও জবাব চাওয়া হবে।’

ওবায়দুল কাদেরের নির্বাচনী ট্রেন সফরসঙ্গী হিসেবে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, আহমদ হোসেন, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, প্রচার সম্পাদক হাসান মাহমুদ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল প্রমুখ আছেন।-সময়ের কন্ঠস্বর