ওজন কমাতে সহায়তা করে যেসব মসলা

খাবার তৈরিতে ব্যবহৃত হয় মসলা। এসবে রয়েছে কিছু ঔষধিগুণ। রয়েছে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতাও। আবার ওজন নিয়ন্ত্রণেও সহায়তা করে। যেমন এলাচ। এতে রয়েছে টর্পিন, টপিনিনোল, সিনিওল, এসিটেট, টপিনিল ইত্যাদি রাসায়নিক উপাদান। এসব উপাদান শরীরের চর্বি ধ্বংস করার ক্ষমতা বাড়ায়।

ফলে শরীরে চর্বি জমে না।দারচিনিও উপকারী। ওজন কমাতে ভূমিকা রাখে। নিয়মিত দারচিনি খেলে খিদে কমে যায়। শুধু তা-ই নয়, দারচিনি শরীরের জমে থাকা মেদ গলাতে সাহায্য করে। এটি শরীরের সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ডায়াবেটিসের রোগীর জন্য এটি খুব উপকারী।

এ ছাড়া পেটের পীড়া, ইনফ্লুয়েঞ্জা, টায়ফয়েড, টিবি ও ক্যানসার প্রতিরোধে খুব কার্যকরী।হলুদের বিশেষ গুণ হলো এটি ফ্যাট টিস্যু তৈরি হতে দেয় না। ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। আদা শুধু সর্দি-কাশিতেই উপকারী নয়, এটি পেট পরিষ্কার করার ক্ষেত্রেও কার্যকরী।

পাচনতন্ত্রে জমে থাকা খাবার পরিষ্কার করে বলে ফ্যাট জমতে পারে না। এ ছাড়া আদার রস শরীরের জমে থাকা চর্বি দূর করতে সহায়তা করে।

কাঁচামরিচে রয়েছে অ্যাকজেলিক অ্যাসিড, কিউনিক অ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড, এস্কার্বিক অ্যাসিড, সাক্সিনিক অ্যাসিড, শিকিমিক অ্যাসিড, ফোলিক অ্যাসিড, সাইট্রিক অ্যাসিড, ম্যালিক অ্যাসিড, মেলানিক অ্যাসিড, আল্ফা-এমিরন, ক্যান্সিডিনা, ক্যারোটিন্স, ক্রিপ্টোক্যানসিন, ফ্ল্যাভনয়েডস ইত্যাদি।

এগুলো ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। খিদেও নিয়ন্ত্রণ করে। মৌরি পাচনতন্ত্রের উপকার করে, খিদে কমায়। আর এটি লিভারের জন্য উপকারী।