মাশরাফি, ধোনি, মালিঙ্গা ও মালিকদের শেষ সুযোগ

খুব সম্ভবত ২০১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপ দিয়েই ক্রিকেটকে বিদায় বলবেন টাইগার কাপ্তান মাশরাফি বিন মোর্তুজা। আর যদি সেটা হয় তাহলে আসন্ন এশিয়া কাপই ডানহাতি এই পেসারের শেষ এশিয়া কাপ।

এই নিয়ে পঞ্চমবারের মত এশিয়া কাপের আসরে অংশ নিচ্ছেন মাশরাফি। অংশ নেয়া ৪ এশিয়া কাপের মধ্যে তিনটি ছিল ওয়ানডে ফরম্যাটে এবং গেল আসরেরটা ছিল টি-টুয়েন্টি ফরম্যাটে।

দুই ফরম্যাট মিলিয়ে মোট ১৮টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। মোট ৫.৯৫ ইকোনমি রেটে ১৭ উইকেটের মালিক এই ডানহাতি পেসার। তার অধীনে গেল এশিয়া কাপের ফাইনালও খেলেছিল টাইগাররা।

যেহেতু এটা মাশরাফির শেষ এশিয়া কাপ তাই তিনি চাইবেন দলকে এবার এশিয়া কাপের প্রথম শিরোপা এনে দিতে। সেই সঙ্গে পারফর্মেন্স দিয়েও আসরটাকে স্মরণীয় করে রাখতে চাইবেন তিনি।

মাশরাফির পাশাপাশি আরও কয়েকজন আছেন যারা খুব সম্ভবত তাদের শেষ এশিয়া কাপে অংশ নিচ্ছেন। এদের মধ্যে ভারতের সাবেক অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি এবং শ্রীলংকার লাস্তিহ মালিঙ্গা অন্যতম।

বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারতকে দুই বার শিরোপা জিতিয়েছেন ধোনি। তার অধীনে ২০১০ এবং ২০১৬ সালে শিরোপা ঘরে তুলে তোলে ভারত।

মাশরাফির মত ধোনিও হয়তো ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ দিয়ে ক্যারিয়ারের ইতি টানবেন। তাই এটাও তার শেষ এশিয়া কাপ বললে ভুল হবেনা।

এখন পর্যন্ত ৪টি এশিয়া কাপে অংশ নেয়া ধোনি ওয়ানডে এবং টি-টুয়েন্টি ফরম্যাট মিলিয়ে ১৮ ম্যাচে রান করেছেন ১০২ গড়ে মোট ৬১৯ রান।

এই দুজনের চেয়ে একটি এশিয়া কাপ বেশী খেলেছেন লঙ্কান পেসার লাসিথ মালিঙ্গা। ফর্ম এবং ফিটনেসের কারনে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে তার খেলা নিয়ে রয়েছে সংশয়।

হয়তো এই এশিয়া কাপে বাজে পারফর্ম করলে লঙ্কানদের জার্সিতে আর নাও দেখা যেতে পারে তাকে। মোট ১৩ ম্যাচে ২৮ উইকেট নেয়া ডানহাতি এই পেসার এশিয়া কাপের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি।

এই তালিকায় রয়েছে আরও একজনের নাম। তিনি পাকিস্তানের শোয়েব মালিক। ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান বলেছিলেন ২০২০ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত খেলবেন তিনি।

সেটা হলে এর আগে আরও একটি এশিয়া কাপ পাবেন তিনি। তবে সেটা টি-টুয়েন্টি ফরম্যাটে। কিন্তু ওয়ানডে ফরম্যাটে এটা মালিকের শেষ এশিয়া কাপ।

আসছে এশিয়া কাপ হবে ডানহাতি এই ব্যাটসম্যানের সপ্তম এশিয়া কাপ। আগের ছয় আসরে ১৬ ম্যাচে ৬৯৬ রান করেছেন তিনি। তার অধীনে ২০০৮ সালে এশিয়া কাপে অংশ নেয় পাকিস্তান।