ভালো বাবা-মায়েরা যে ৫টি কাজ করে থাকেন

ভাল বাবা-মা হওয়া খুব সহজ কোন কাজ নয়। প্রতিটি মা-বাবার চেষ্টা থাকে আদর্শ বাবা-মা হওয়ার। সন্তানের সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য কত কিছুই না করে থাকেন তারা। কিন্তু অনেকসময় তারা নিজেদের অজান্তে এমনকিছু কাজ করে থাকেন যা সন্তানের জন্য ক্ষতিকর হয়। আবার এই ছোট ছোট বিষয়গুলো অনেক সময় সম্পর্কের অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। একজন আদর্শ বাবা-মার কিছু কিছু বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হয়। সে বিষয়গুলো জানতে পারা যায় boldsky, about.com, livestrong থেকে।

১। সমস্যা সমাধান করা
সারাদিন অফিস করে ক্লান্ত শরীর নিয়ে আপনি বাসায় ফিরলেন, আর দেখলেন সারা বাড়ি খেলনা দিয়ে ছড়ানো ছিটানো অথবা সম্পূর্ণ ঘর নোংরা। তখন কি করবেন? ঘরে ঢুকে বাচ্চাকে বকা শুরু করে দিবেন? এই ছোট কাজটি আপনার এবং আপনার সন্তানের মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি করে দিবে। এইরকম ছোট ছোট সমস্যাগুলো ধৈর্য সহকারে সমাধান করুন।

২। একসাথে কাজ করুন
পরিবারের সদস্যরা একসাথে কাজ করুন। বাসার কাজগুলোতে সন্তানের সাহায্য গ্রহণ করুন। তুমি এই কাজটি পারবে না বলে সন্তানকে দূরে রাখবেন না। এতে সে হীনমন্যতায় ভুগে থাকে। ছোট ছোট কাজের দায়িত্ব তাকে নিতে দিন। এটি তাকে দায়িত্বশীল ব্যক্তি হিসেবে বড় হতে সাহায্য করবে।

৩। নেতিবাচক কথা বলা বন্ধ করুন
“আমি যেভাবে বলছি সেভাবে করতে পারলে কর নয়তো করো না” কিংবা “তুমি এটা পারবে না, তাও কেন চেষ্টা করছো”, “তুমি এখনও অনেক ছোট, এই কাজ করতে পারবে না”। এইরকম নেতিবাচক কথা বলবেন না, এটি তাদের কাজে নিরুৎসাহী করে তোলে।

৪। দূরদর্শী হন
একজন অভিবাবক হিসেবে সন্তানের ভবিষ্যতের কথা আপনাকেই চিন্তা করতে হবে। সন্তানের ভবিষ্যৎ কেমন হবে? তাদের ভবিষ্যৎ কেমন হবে? এই বিষয়গুলো এখনই চিন্তা করে রাখুন। প্রয়োজনে কিছু আর্থিক পদক্ষেপ নিয়ে রাখুন এখনই, যাতে ভবিষ্যৎ সন্তানদের কোন সমস্যা না হয়।

৫। কথা শুনুন
অনেক বাবা-মায়েরা সন্তানের কথা শুনতে চান না। আপনার সন্তানটি সারাদিনের জমানো গল্পগুলো আপনার সাথে শেয়ার করতে চায়, কিন্তু আপনি তা শুনেন না। আপনি এতে বিরক্ত হতে পারেন। বিরক্ত না হয়ে সন্তানের কথা শুনুন। তার দিনটি কেমন গেল জানার চেষ্টা করুন। এতে আপনার সাথে আপনার সন্তানের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠবে।

সন্তানকে সময় দিন। তাদেরকে নৈতিকতা শিক্ষা দিন। সন্তানের সামনে নিজেদের মধ্যে ঝগড়া করবেন না। এটি তাদের মাঝে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।