যে কারনে দেশের বাইরে হবে এবারের ‘বিপিএল’

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ বিপিএলকে আরো জনপ্রিয় করতে চায় গভর্নিং কাউন্সিল। আর তাইতো ভবিষ্যতে বিপিএল দেশের বাইরেও আয়োজন করা হতে পারে। গতকাল একটা সংবাদ মাধ্যম (সময় সংবাদ) এমনটাই জানিয়েছেন বিপিএলের টেকনিক্যাল কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস।

জালাল ইউনুস এছাড়া জানিয়েছেন প্রতি বছর সূচি বা টুর্নামেন্ট আয়োজনের সময় নিয়ে জটিলতা এড়াতে, বিপিএলের জন্য নির্ধারিত ক্যালেন্ডার করা নিয়েও কাজ করছে গভর্নিং কাউন্সিল।

এরই মধ্যে দেশে ও বিশ্বজুড়ে বিপিএল বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে ভক্তদের মাঝে। তবে এর জনপ্রিয়তা আরো বাড়াতে এবার ভিন্ন পন্থা ভাবছে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। ২০০৯ সালে চট্টগ্রামে শুরু হওয়া পোর্ট সিটি ক্রিকেট লিগের দ্বিতীয় আসর বসেছিলো আরব আমিরাতের শারজায়। এবার বিপিএলকে দেশের গন্ডির বাইরে নিতে চায় বোর্ড।

বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের টেকনিক্যাল কমিটির প্রধান জালাল ইউনুস বলেন, এটাকে গ্লামারাস করার জন্য হয়তো আমরা বাইরে করতে পারি। এবছরই যদি একান্তই না হতো তাহলে আমরা বাইরে করা যায় কিনা চিন্তা করতাম। ভেন্যু আমরা ঠিক করিনি তবে নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে আরব আমিরাত সামনে চলে আসে।’

এদিকে ২০১২ সালে শুরু হলেও, এখন পর্যন্ত বিপিএল আয়োজনের নেই নির্ধারিত কোনো ক্যালেন্ডার। যেখানে আইপিএল বা বিগ ব্যাশ হচ্ছে পূর্ব নির্ধারিত নির্দিষ্ট সময়েই। আগামীতে বিপিএলের জন্যও নির্ধারিত ক্যালেন্ডার করার পরিকল্পনা করছে গভর্নিং কাউন্সিল।

জালাল ইউনুস আরো বলেন, ‘এই বছরে যেহেতু নির্বাচন তাই আমরা নভেম্বর-ডিসেম্বরে করতে চাচ্ছি না। আমরা চেষ্টা করবো মার্চের পরে, আইপিএল যেভাবে স্লট নিয়ে নিচ্ছে ওইরকম স্লট নিয়ে নেয়া যায় কিনা।’

আগামী বিপিএলও যে ৭ দলের অংশগ্রহণে হবে তা অনেকটা নিশ্চিত। গেলো আসরে সিলেট ফ্র্যাঞ্চাইজি ফিরলেও নানা অনিয়মের অভিযোগে বাদ পড়ে বরিশাল ফ্র্যাঞ্চাইজি। যদিও সামনে হয়তো আবারো দেখা যেতে পারে বরিশালকে।

এ ব্যাপারে জালাল ইউনুস বলেন, ‘সাতটা ফ্রাঞ্চাইজিকেই আমরা টাইম দিতে পারছি না। আপনারা জানেন যে, এটা শেষ হলেই নিউজিল্যান্ড যাবে। এরপর বিশ্বকাপের ক্যাম্পেইন শুরু হবে। সবকিছু মিলিয়ে সময় অনেক টাইট। তাই আটটি দল খেলানো সম্ভব না। হয়তো আমরা পরের বার চিন্তা করতে পারি।’

আগামক ২০১৯ সালের ৫ জানুয়ারি মাঠে গড়ানোর কথা বিপিএলের ৬ষ্ঠ আসরের।