ইনজুরির পরও এক হাতে ব্যাট করে বিশ্বকে তাক লাগালেন তামিম

ইনজুরিতে থাকা তামিম আর খেলার মতো অবস্থায় ছিলেন না। শেষ পর্যন্ত মাঠ থেকে বের হয়ে গেলেন ২ রান করে। পরে আবারো মাঠে নামেন তামিম। ইনজুরির পরও এক হাতে ব্যাট করে বিশ্বকে তাক লাগালেন তামিম।

আজ বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার ম্যাচ দিয়ে শনিবার পর্দা উঠেছে এশিয়া কাপের। আজ দুবাইয়ের আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৫টায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ।

শুরুতেই টসে জিতে ব্যাটিং করে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ ৪৯.৩ ওভার খেলে অলআউট হয়ে ২৬১ রান সংগ্রহ করে। ফলে শ্রীলঙ্কাকে ২৬২ রানের টার্গেট দিল বাংলাদেশ।

এদিকে, তামিম ইনজুরি হয়ে মাঠের বাহিরে চলে যান। পরে আবারো মাঠে নামেন তামিম। এক হাতেই ব্যাটিং করেন এই ব্যাটসম্যান। একের পর এক আউটের মিছিলে রানের চাকা ঘুরতে পারলো না। মিঠুন আর মুশফিকের রানে বাংলাদেশের এগিয়ে যায়।

এদিন শ্রীলঙ্কা দলে ক্যাচ মিসের মহড়ায় ২০ রানের মধ্যেই জীবন পান মুশফিকুর রহিম এবং মোহাম্মদ মিঠুন। মুশফিকুর রহিম এবং মোহাম্মদ মিঠুনের ব্যাটের ১৩ ওভারে দলীয় ৫০ রান পর করে বাংলাদেশ। ৫২ বলে ফিফটি তুলে নেন মোহাম্মদ মিঠুন।

২০ ওভারের মধ্যেই ১০০ রান পূরণ করেন এই দুই ব্যাটসম্যান। অন্য প্রান্ত থেকে ৬৫ বলে ফিফটি তুলে নেন মুশফিকুর রহিম। এই দুজনের ১৩২ রানের পার্টনারশিপ ভাঙেন মালিঙ্গা। আর এরপর এই বিপদে পড়ে বাংলাদেশে দল। ৬৩ রান করে আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান মোহাম্মদ মিঠুন।

বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে পারেনি মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, এবং মোসাদ্দেক হোসেন। দলীয় ১৩৬ রানের মাথায় এক রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি। লাথিস মালিঙ্গা চতুর্থ শিকার হয়ে ব্যক্তিগত ১ রান করে আউট হয় মোসাদ্দেক হোসেন। পরে ব্যাটিংয়ে মুশফিকুর রহিম কিছুটা সঙ্গ দিয়ে প্যাভেলিয়নের প্রধান মেহেদি হাসান মিরাজ।

এদিন মুশফিকুর রহিমকে সঙ্গ দিতে পারেননি মাশরাফি বিন মর্তুজা ও। ১৯৫ রানের মাথায় ১১ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক। এটিন যেন একাই লড়ে গেছেন মুশফিকুর রহিম। এশিয়া কাপের নিজের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন ১২৩ বলে। ১০ জানে মুস্তাফিজুর রহমান আউট হলে ইনজুরি নিয়েই মাঠে নামেন তামিম ইকবাল। অন্য প্রান্ত থেকে তখনই ব্যাটিং তাণ্ডব শুরু করেন মুশফিকুর রহিম। ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস খেলেন মুশফিকুর রহিম।

এদিকে, দীর্ঘদিন পর দলে ফিরেই চমক দেখিয়েছেন লাসিথ মালিঙ্গা।

বাংলাদেশের একাদশ: তামিম ইকবাল, লিটন কুমার, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, মোহাম্মদ মিঠুন, মোসাদ্দেক হোসেন, মেহেদি হাসান মিরাজ, মাশরাফি বিন মুর্তজা, রুবেল হোসেন, মুস্তাফিজুর রহমান।

শ্রীলঙ্কা একাদশ: নিরোশান ডিকভেলা (উইকেটরক্ষক), উপুল থারাঙ্গা, কুশাল পেরেরা, কুশাল মেন্ডিস, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউজ (অধিনায়ক), ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা, থিসারা পেরেরা, দাসুন শানাকা, দিলরুয়ান পেরেরা, সুরাঙ্গা লাকমাল, লাসিথ মালিঙ্গা।