ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হলেন মুশফিকুর রহিম

আজ বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার ম্যাচ দিয়ে শনিবার পর্দা উঠেছে এশিয়া কাপের। আজ দুবাইয়ের আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৫টায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। শুরুতেই টসে জিতে ব্যাটিং করে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ ৪৯.৩ ওভার খেলে অলআউট হয়ে ২৬১ রান সংগ্রহ করে।

ফলে শ্রীলঙ্কাকে ২৬২ রানের টার্গেট দেয় বাংলাদেশ। জবাবে, ব্যাটিং করতে নেমে ৩৫.২ ওভার খেলে অলআউট হয়ে ১২৪ রান সংগ্রহ করে শ্রীলঙ্কা। ফলে ১৩৭ রানের বিশাল ব্যবধানে জয় পেল বাংলাদেশ। ১৪৪ রান করে ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হয়েছেন মুশফিকুর রহিম।

এদিকে, তামিম ইনজুরি হয়ে মাঠের বাহিরে চলে যান। পরে আবারো মাঠে নামেন তামিম। ইনজুরির পরও এক হাতে ব্যাট করে বিশ্বকে তাক লাগালেন তামিম। একের পর এক আউটের মিছিলে রানের চাকা ঘুরতে পারলো না। মিঠুন আর মুশফিকের রানে বাংলাদেশের এগিয়ে যায়।

এদিন শ্রীলঙ্কা দলে ক্যাচ মিসের মহড়ায় ২০ রানের মধ্যেই জীবন পান মুশফিকুর রহিম এবং মোহাম্মদ মিঠুন। মুশফিকুর রহিম এবং মোহাম্মদ মিঠুনের ব্যাটের ১৩ ওভারে দলীয় ৫০ রান পর করে বাংলাদেশ। ৫২ বলে ফিফটি তুলে নেন মোহাম্মদ মিঠুন।

২০ ওভারের মধ্যেই ১০০ রান পূরণ করেন এই দুই ব্যাটসম্যান। অন্য প্রান্ত থেকে ৬৫ বলে ফিফটি তুলে নেন মুশফিকুর রহিম। এই দুজনের ১৩২ রানের পার্টনারশিপ ভাঙেন মালিঙ্গা। আর এরপর এই বিপদে পড়ে বাংলাদেশে দল। ৬৩ রান করে আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান মোহাম্মদ মিঠুন।

বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে পারেনি মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, এবং মোসাদ্দেক হোসেন। দলীয় ১৩৬ রানের মাথায় এক রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি। লাথিস মালিঙ্গা চতুর্থ শিকার হয়ে ব্যক্তিগত ১ রান করে আউট হয় মোসাদ্দেক হোসেন। পরে ব্যাটিংয়ে মুশফিকুর রহিম কিছুটা সঙ্গ দিয়ে প্যাভেলিয়নের প্রধান মেহেদি হাসান মিরাজ।

এদিন মুশফিকুর রহিমকে সঙ্গ দিতে পারেননি মাশরাফি বিন মর্তুজা ও। ১৯৫ রানের মাথায় ১১ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক। এটিন যেন একাই লড়ে গেছেন মুশফিকুর রহিম। এশিয়া কাপের নিজের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন ১২৩ বলে। ১০ জানে মুস্তাফিজুর রহমান আউট হলে ইনজুরি নিয়েই মাঠে নামেন তামিম ইকবাল। অন্য প্রান্ত থেকে তখনই ব্যাটিং তাণ্ডব শুরু করেন মুশফিকুর রহিম। ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস খেলেন মুশফিকুর রহিম।এদিকে, দীর্ঘদিন পর দলে ফিরেই চমক দেখিয়েছেন লাসিথ মালিঙ্গা।

উল্লেখ্য, ২৬২ রানের টার্গেটে ব্যাটিং শুরুতেই কুশাল মেন্ডিসকে এলবিডব্লিউয়ে আউট করেন কাটার মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমান। এর পর মাশরাফী বোল্টআউট করে দিলেন উপুল থারাঙ্গাকে। পরে আবারো উইকেট পান তিনি। ধনাঞ্জয়া ডি সিলভাকে এলবিডব্লিউয়ে আউট করলেন মাশরাফী। এরপর কুশাল পেরেরাকে অাউট করেন টাইগার মেহেদী হাসান মিরাজ। এরপর সানাকাকে এলবিডব্লিউয়ে আউট করলেন রুবেল । ভয়ংকর হয়ে উঠার থিসারাকে ফিরালেন মিরাজ।